kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

নৌসচিব পর্যায়ের বৈঠক সমাপ্ত

বাংলাদেশ ও ভারতের দুটি নতুন ‘পোর্ট অব কল’ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশের বাহাদুরাবাদ ও ভারতের জগিগোপাকে নতুন ‘পোর্ট অব কল’ ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নৌসচিব পর্যায়ের দুই দিনের বৈঠক শেষ হয়েছে গতকাল। বৈঠকে ভারতের ইছামতী নদীকে প্রটোকল অন ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রেড (পিআইডাব্লিউটিটি) রুটে আনার লক্ষ্যে ফিজিবিলিটি স্টাডি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে আত্রাই নদীর ভারতের অংশের ৪২ কিলোমিটার ভারতীয় কর্তৃপক্ষ খননের ব্যবস্থা করবে বলেও সম্মত হয়েছে।

ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সচিব পর্যায়ের ও ইন্টার গভার্নমেন্টাল কমিটির বৈঠক শেষে গতকাল এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নৌপরিবহন সচিব মো. আবদুস সামাদ এবং ভারতের পক্ষে সে দেশের নৌপরিবহন সচিব গোপাল কৃষ্ণ নেতৃত্ব দেন। দুই দিনের বৈঠকে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে রাজশাহী থেকে পাকশী পর্যন্ত ৭৪ কিলোমিটার নৌপথের নাব্যতার জন্য আগের মতো ভারত ও বাংলাদেশ কর্তৃক যথাক্রমে ৮০ঃ২০ অনুপাতে খরচ বহন সাপেক্ষে ড্রেজিং; কলকাতার বজবজ এলাকায় পর্যাপ্ত বয়া স্থাপন, ঘোড়ামারা নামখানা-হেমনগর এলাকায় চ্যানেল মার্কিং স্থাপন, নামখানা, হলদিয়া, বজবজ এলাকায় ভেসেল অবস্থানকালে প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়ের জন্য পারমিট ইস্যু এবং ডিউরেশন অব শোর লিভ বৃদ্ধি; ভিসা সহজীকরণ, কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা, বার্দিং সুবিধা বৃদ্ধি, নাইট নেভিগেশন বিষয়; চিলমারী-ধুবরীকে (আসাম) পোর্ট অব কল; ক্রুদের এমবারকেশন এবং ডিসএমবারকেশন; নাকুগাঁও স্থলবন্দর ও ভারতের ডালু আইসিপি-ভুটানের গেলেপু পর্যন্ত কানেকটিং; সার্টিফিকেট অব কম্পিটেন্সি; বাংলাদেশের ক্রু এবং মেরিন অফিসারদের নির্দিষ্ট পোর্ট উল্লেখ না করে ভারতীয় ভিসা প্রদান; কোস্টাল শিপিং অ্যাগ্রিমেন্টের আওতায় সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড, মুক্তারপুরকে পোর্ট অব কল ঘোষণা, বাংলাদেশি নাবিকদের বিশ্রাম ও চিত্তবিনোদনের জন্য কলকাতায় ড্রপ-ইন-সেন্টার চালু; স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী ভেসেল মেরামত; বাংলাদেশের কক্সবাজার (মাতারবাড়ী পোর্ট) এবং ভারতের ধামারা (চব্বিশ পরগুনা) পোর্টকে পোর্ট অব কল হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা; সমুদ্র এলাকায় জাহাজের সমস্যা দূর করতে নেভাল টেলেক্স সুবিধা স্থাপন, আত্রাই নদীর ভারতের অংশের ৪২ কিলোমিটার ভারতীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক খনন, চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে পণ্য আনা-নেওয়ার ব্যবস্থাসহ অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা