kalerkantho

সোমবার । ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ১ পোষ ১৪২৬। ১৮ রবিউস সানি                         

‘আমরাও বলতে চাই’ সংলাপ

শিশুবান্ধব নগরী গঠনের প্রতিশ্রুতি ডিএনসিসির

শিশুদের একগুচ্ছ দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি ডিএনসিসির মেয়রের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খেলার মাঠ বৃদ্ধি, মাঠে নারী ও শিশুদের খেলার সুযোগ সৃষ্টি, শিশুশ্রম বন্ধ, বস্তির আবাসন সংকট সমাধান, নগরীর ওষুধের দোকানে নারী বিক্রয়কর্মীর ব্যবস্থা করাসহ শিশুদের একগুচ্ছ দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম। গতকাল বুধবার ডিএনসিসির নগর ভবনে অনুষ্ঠিত ‘আমরাও বলতে চাই’ শীর্ষক সংলাপে শিশুদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এসব প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। ডিএনসিসি এবং জাতিসংঘ জরুরি শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) যৌথভাবে সংলাপটির আয়োজন করে।

ডিএনসিসির বিভিন্ন এলাকায় বসবাসকারী শিশুরা সংলাপে অংশ নেয়। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদেরও এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার নানা সমস্যার কথা তুলে ধরার সুযোগ দেওয়া হয় তাদের। তারা ঢাকার ক্রমাগত দূষণ, শিশুশ্রম, খেলার মাঠ, নিরাপত্তাহীনতা, স্বাস্থ্যসেবা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ পানি, বস্তির আবাসন সংকট ইত্যাদি বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা মেয়রকে জানায়।

শিশুদের দাবি শোনার পর মেয়র বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের খেলার মাঠে মেলা আয়োজন করতে দেওয়া হবে না। কোথাও মাঠ দখল হলে বা শিশুদের খেলতে না দিলে ৩৩৩-এ কল করবে। আমি তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেব।’

তিনি আরো বলেন, ‘২৪টি খেলার মাঠ ও পার্কের সংস্কারকাজ চলছে। এসব মাঠের মধ্যে ১৭টিতে সিসিটিভি ক্যামেরা এবং এলইডি লাইট দেওয়া হবে। বনানী ১৮ নম্বর রোডের মাঠে শুধু নারী ও শিশুরা খেলবে। অন্য সব পার্কেও নারী ও শিশুদের খেলার জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে।’

সংলাপে মরিয়ম আক্তার নামের এক কিশোরী ডিএনসিসি এলাকার ওষুধের দোকানে নারী বিক্রয়কর্মী এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে নারী চিকিৎসক দেওয়ার দাবি তোলে। এর উত্তরে মেয়র বলেন, ‘শতভাগ নারী বিক্রয়কর্মী দিয়ে ওষুধের দোকান পরিচালনা করলে আমি ট্যাক্সমুক্ত করে দেব। প্রতিটি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এরই মধ্যে নারী চিকিৎসক রয়েছেন, যাঁরা কিশোরীদের স্বাস্থ্যসেবায় বেশ দক্ষ এবং আন্তরিক।’

সংলাপে ডিএনসিসির সচিব রবীন্দ্রশ্রী বড়ুয়া, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোমিনুর রহমান মামুন, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাঈদ আহমেদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর মঞ্জুর আহমেদ, ইউনিসেফের নগর বিশেষজ্ঞ শামীমা সিদ্দিকী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সংলাপ শেষে মেয়র শিশুদের নিয়ে গুলশানের ‘বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ পার্ক’ পরিদর্শন করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা