kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

ডিএপি সারের কেজি ১৬ টাকা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কৃষি উৎপাদন খরচ কমানোর লক্ষ্যে ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সারের দাম আরেক দফা কমানোর ঘোষণা দিল সরকার। কৃষির বহুমুখী ব্যবহার উপযোগী এই সার বর্তমানে কৃষকরা ২৫ টাকা কেজি দরে কিনছেন। চলতি মাসের মধ্যে সিদ্ধান্তটি কার্যকর হলে ৯ টাকা কমে অর্থাৎ ১৬ টাকা কেজিতে কিনতে পারবেন কৃষকরা। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি জানান, ২০০৯ সালে ডিএপি সারের প্রতি কেজির দাম ছিল ৯০ টাকা। আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পরের দিনই সেটার দাম কমিয়ে ৪৫ টাকা করা হয়। এর ১০ মাস পর আবারও দাম কমিয়ে ৩০ টাকায় নামানো হয়। ২০১২ সালে আরো তিন টাকা কমিয়ে ২৭, ২০১৪ সালে দুই টাকা কমিয়ে ২৫ টাকা করা হয়। এখন একবারে আরো ৯ টাকা কমানো হলো। এই হিসাবে গত ১০ বছরে কেজিপ্রতি ডিএপি সারের দাম কমেছে ৭৪ টাকা।

মন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী না থাকলে এটা কেউ করতেন বলে আমার বিশ্বাস হয় না।’ মন্ত্রী জানান, ডিএপি সারে প্রণোদনা বাবদ সরকারের ৮০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে এ বছর। তবে এই টাকা অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আলাদাভাবে আনতে হবে না। তিনি বলেন, ‘কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে প্রণোদনা বাবদ বরাদ্দ ৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ আছে। এখান থেকেই নতুন ভর্তুকি সমন্বয় করা হবে।’

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘কৃষকের উৎপাদন খরচ হ্রাস, সুষম সার ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণ, কৃষিক্ষেত্রে গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ পরিবেশবান্ধব টেকসই খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) গুরুত্বপূর্ণ। এই সারের বহুমুখী ব্যবহারের কারণে আমরা আবারও এর দাম কমানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব দিলে তিনি তাতে খুশি হয়ে সম্মতি দিয়েছেন।’ এ সময় কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘পৃথিবীতে এমন কৃষকবান্ধব প্রধানমন্ত্রী আর আছেন কি না আমার সন্দেহ আছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা