kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

রোহিঙ্গা সংকট

জবাবদিহি কাঠামোয় আস্থা ফেরার আশা

দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগে গ্যারান্টর হিসেবে কাজ করছে চীন

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘জেনোসাইডের’ জবাবদিহির উদ্যোগ এ দেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মধ্যে আস্থা ফেরাতে সহায়ক হবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (এশিয়া ও প্যাসিফিক) মাসুদ বিন মোমেন গতকাল মঙ্গলবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

‘জেনোসাইডের’ জবাবদিহি নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আদালত (আইসিসি) তদন্ত শুরু করেছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে (আইসিজে) আগামী মঙ্গলবার মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার মামলার শুনানি শুরু হচ্ছে।

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় এবং চীনকে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় ভাটা পড়বে কি না, জানতে চাইলে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, “আমরা সব ক্ষেত্রেই সমানতালে কাজ করতে চাই এবং আমাদের দ্বিপক্ষীয়ভাবেই তো এটি সমাধান করতে হবে। এই লোকগুলো (রোহিঙ্গা) তো বাংলাদেশে আছে। ওদেরকে ফেরত পাঠাতে হবে। সুতরাং দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ ছাড়া সেটি সম্ভব নয়। সেখানে চীন আমাদের ‘গ্যারান্টর’ হিসেবে কাজ করছে। অর্থাৎ বাংলাদেশ, চীন ও মিয়ানমার ‘ট্রাই লেটারাল্লি’ (ত্রিপক্ষীয়ভাবে) আমরা এগোচ্ছি।” তিনি বলেন, “জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে আমরা আড়াই-তিন বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে এই ইস্যুটার একটা ‘কাস্টোডিয়ানশিপ’ তারা নেয়। সেটা নিরাপত্তা পরিষদ হতে পারে, সাধারণ পরিষদ হতে পারে। শুধু যদি দ্বিপক্ষীয় উদ্যোগের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে আমরা আমাদের অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে দেখেছি, এটি একটি খুবই কঠিন বিষয়।”

সচিব (এশিয়া ও প্যাসিফিক) বলেন, জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার উচ্চ নৈতিকতার বিষয়। অর্থাৎ এ ধরনের একটা ‘জেনোসাইড’ হয়েছে। সুতরাং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও একটি দায়-দায়িত্ব আছে। যদিও গাম্বিয়া ওআইসির পক্ষে করছে। কিন্তু কানাডাসহ অনেক দেশ আছে যে একে সমর্থন করে। সুতরাং আমরা এটাকে দেখছি একটি আস্থা সৃষ্টির উদ্যোগ হিসেবেও।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা