kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

সাংবাদিকদের আইনমন্ত্রী

খালেদার জামিন আদালতের এখতিয়ারে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খালেদার জামিন আদালতের এখতিয়ারে

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, খালেদা জিয়া এতিমের টাকা চুরি করার কারণে প্রথমে বিচারিক আদালতে দণ্ডিত হন। পরে উচ্চ আদালতেও দণ্ডিত হন। আরেকটি মামলায় বিচারিক আদালতে দণ্ডিত হন। এখানে সরকারের প্রতিহিংসার প্রশ্নই উঠে না। তাঁর জামিনের বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারে। সরকারের হস্তক্ষেপের প্রশ্নই উঠে না। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকায় বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে জিপি ও পিপিদের জন্য আয়োজিত ২১তম বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

আনিসুল হক বলেন, বিএনপি আমলে আদালতকে যেভাবে নিজেদের পকেটে রাখা হতো সেই অবস্থা এখন আর নেই। বিচার বিভাগ এখন সম্পূর্ণ স্বাধীন।

ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধনের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে এই আইন সংশোধনের জন্য উত্থাপন করা হবে। আইনটি সংশোধন হলে যুগ্ম জেলা জজের পাশাপাশি সিনিয়র সহকারী জজ ও সহকারী জজরাও এই মামলাগুলোর বিচার করতে পারবেন। এতে করে মামলা নিষ্পত্তির হার বাড়বে।

এর আগে অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ‘অ্যাকসেস টু জাসটিসকে বিস্তৃত করার ক্ষেত্রে সরকারি কৌঁসুলিদের সেবার মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সব ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনা পালন করে আদালতের মামলা ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়াকে সহায়তা করতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রায়শ শোনা যায়, কোনো কোনো জিপি-পিপি বিভিন্ন অজুহাতে আদালতে সময়ের দরখাস্ত দাখিল করে থাকেন, যা মোটেই ঠিক না।’ তিনি বলেন, মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। এসংক্রান্ত নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। আদালতে সঠিক সময়ে সাক্ষী হাজিরসহ নির্ধারিত তারিখে সাক্ষী পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে সচেষ্ট হতে হবে। এ ক্ষেত্রে ঢিলেঢালা বা গড়িমসির মনোভাব কাম্য নয়।

সরকারি কৌঁসুলিদের সার্ভিসকে সরকার একটি সুনির্দিষ্ট আইনের আওতায় এনে যুগোপযোগী করার কথা ভাবছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইনসচিব মো. গোলাম সারওয়ার বলেন, বিচার বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার হিসেবে দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিষয়ে সরকারি কৌঁসুলিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকতে হবে।

বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদ অনুষ্ঠানে  সভাপতিত্ব করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা