kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১২ রবিউস সানি     

জেলায় জেলায় টিসিবির পেঁয়াজ

চাহিদার তুলনায় সরবরাহ সামান্য

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাহিদার তুলনায় সরবরাহ সামান্য

দিনাজপুরে গতকাল ৪৫ টাকা কেজি দরে টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়। ক্রেতাদের মতে চাহিদার তুলনায় টিসিবির এই সরবরাহ পর্যাপ্ত নয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

পেঁয়াজের কেজি এখনো ২০০ টাকার বেশি। এ অবস্থায় স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য ঢাকাসহ অনেক জেলায় ৪৫ টাকা কেজিতে টিসিবি (ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ) যে পেঁয়াজ বিক্রি করছে, তা চাহিদার তুলনায় সামান্য। গতকাল মঙ্গলবার দিনাজপুর,  চুয়াডাঙ্গাসহ কয়েকটি জেলায় টিসিবির পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে অনেককে ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। অনেকেই আবার বিকল্প হিসেবে কিনছে পেঁয়াজের পাতা।

দিনাজপুর প্রতিনিধি জানান, গতকাল সকাল ১১টায় ইনস্টিটিউট মাঠে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করে টিসিবি। কিন্তু এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ক্রেতাদের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। সেখানে একজন ডিলারের মাধ্যমে চার দিনে চার টন পেঁয়াজ বিক্রি হবে।

ডিলার কানাই লাল গুপ্ত জানান, যে পরিমাণ পেঁয়াজ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত নয়। গতকাল প্রথম দিনে ৪৫ টাকা কেজি দরে একজন ক্রেতাকে এক কেজি করে পেঁয়াজ দেওয়া হয়েছে। এসব পেঁয়াজ তুরস্ক থেকে আমদানি করা।

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি জানান, গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় চুয়াডাঙ্গা টাউন মাঠে টিসিবির পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়। জেলা প্রশাসন জানায়, চার হাজার কেজি পেঁয়াজ চুয়াডাঙ্গায় পৌঁছেছে। ক্রেতাদের এক কেজি করে পেঁয়াজ দেওয়া হয়। ক্রেতারা জানায়, চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজ খুবই কম। টিসিবির উচিত আরো বেশি পেঁয়াজ সরবরাহ করা।

গুরুদাসপু্র (নাটোর) প্রতিনিধি জানান, পেঁয়াজের বাজার স্বাভাবিক না হওয়ায় বিকল্প হিসেবে অনেকেই পেঁয়াজের পাতা দিয়ে রান্নাবান্না করছে। প্রতি আটি পাতা বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়। গতকাল পৌর সদরের চাঁচকৈড় হাটের ব্যবসায়ী মালেক বলেন, ‘আমরা কখনো পেঁয়াজের পাতা খাইনি, বিক্রিও করিনি। কিন্তু এখন মানুষ পাতা কিনতে বাধ্য হচ্ছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা