kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

সোনারগাঁয় সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে নিরীহ ব্যক্তি নিহত

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁর বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের আনন্দবাজার আমিরাবাদ এলাকায় মেঘনা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গত রবিবার রাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও টেঁটাবিদ্ধ হয়ে উভয় পক্ষের ছয়জন আহত হয়। এদের মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে এসে চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে জাকির হোসেন (৩২) নামের একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, স্থানীয় যুবলীগ নেতা নবী হোসেন, তাঁর ভাই নজরুল হোসেন ও সাবেক মেম্বার আইয়ুব আলীর ছেলে সিরাজ দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। প্রতিপক্ষ স্থানীয় মহিলা মেম্বার আনোয়ারার ছেলে আমির হোসেন, আল আমিন একসময় একই এলাকায় বালু লুণ্ঠনে জড়িত ছিলেন। গত রবিবার রাতে নবী হোসেনের একটি ড্রেজার স্থানীয় টেকপাড়ার মাছের ঝোপের কাছে বালু উত্তোলন করার সময় আমির-আমিন পক্ষ বাধা দেয়। এতে মেঘনা নদীতে দুই পক্ষে প্রথম দফায় সংঘর্ষ হয়।

পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে নবী হোসেনের শ্যালক বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেনের ছেলে বালু সন্ত্রাসী রকিগুপ এবং সিরাজের শ্যালক আক্তার, নুরু ও চাচাশ্বশুর বোরহানের নেতৃত্বে তিনটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমিরাবাদ এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নেয়। একই সময় নবী হোসেন ও সিরাজের নেতৃত্বে তাঁদের আরেকটি গ্রুপ প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালাতে গেলে সিরাজের চাচাতো ভাই জাকির তাঁকে থামিয়ে সকালে এলাকার মুরব্বিদের নিয়ে মীমাংসার অনুরোধ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জাকিরের পেটে চাকু ঢুকিয়ে দেন সিরাজ। এরপর তাঁর সঙ্গীরা জাকিরকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। জাকিরের চিৎকারে আমির হোসেন, আল আমিন ও ইউসুফ তাঁকে বাঁচাতে এলে তিন দিক থেকে তাঁদের আক্রমণ করে প্রতিপক্ষ। এ সময় ঘটনাস্থলেই জাকির নিহত হন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা