kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

পরিবহন শ্রমিকদের বর্ধিত সভা শেষ

সাজার প্রচার আতঙ্ক তৈরি করেছে, দাবি শাজাহান খানের

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চালানো প্রচারে গাড়িচালকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরী সভাপতি ও সংসদ সদস্য শাজাহান খান। তিনি বলেন, বিআরটিএর প্রচারপত্রে চালকদের ১৩টি সাজার বিষয়টি বেশি প্রচার করা হয়েছে, যা আতঙ্ক তৈরি করেছে। এ ক্ষেত্রে কিছু পুলিশের ভূমিকাকেও দায়ী করেন তিনি।

গতকাল শুক্রবার রাতে রাজধানীর তোপখানা রোডের স্বাধীনতা ভবনে ফেডারেশনের দুই দিনব্যাপী বর্ধিত সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন শাজাহান খান।

সম্প্রতি পরিবহন ধর্মঘটে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়ে এই সংসদ সদস্য আরো বলেন, ধর্মঘটের ডাক দিয়ে কেউ ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেন, বিআরটিএ থেকে একটি প্রচারপত্র দেওয়া হয়েছে সচেতন করতে। সেই প্রচারপত্রে চালকের ১৩টি সাজার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সচেতন কি শুধু শ্রমিকদের করতে হবে? মালিকদের সচেতন করতে হবে না? পথচারীদের সচেতন করতে হবে না? এখানে মালিকদের বিরুদ্ধে আইন আছে, যারা রাস্তা তৈরি করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইন আছে। এমনকি বিআরটিএর বিরুদ্ধে আইন আছে। অথচ প্রচারপত্র বিলি করে শ্রমিকদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া যখন আইনটি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে তখন কোনো কোনো পুলিশের কিছু ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। শাজাহান খান বলেন, ‘নতুন আইনের সমস্যার বিষয়ে আলোচনা করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমরা তাঁর আমন্ত্রণে সাড়া দিয়েছি। ফেডারেশনভুক্ত সংগঠনগুলো নতুন সড়ক পরিবহন আইন নিয়ে তাদের মতামত দিয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্ধৃতি ব্যবহার করে শাজাহান খান বলেন, নিরাপদ সড়কের দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, শুধু চালকের নয়—এই দায়িত্ব পথচারী থেকে শুরু করে সব জনগণের। পথচারীরা ফুট ওভারব্রিজ, আন্ডারপাস ব্যবহার করে না, আইন মানে না। গাড়িতে বসে বাইরে হাত রাখে। তাহলে দুর্ঘটনা তো ঘটবেই। কার দোষে এই দুর্ঘটনা ঘটল, দুর্ঘটনার বিচার-বিশ্লেষণ করে অভিযোগপত্র দিতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের এখানে (সভায়) দাবি উঠেছে যৌথ উদ্যোগে এর তদন্ত হতে হবে। এটা বের করতে হবে কে দায়ী?’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা