kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

উচ্ছ্বসিত কলকাতা

দিবারাত্রির টেস্ট ম্যাচ উদ্বোধনে শেখ হাসিনা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দিবারাত্রির টেস্ট ম্যাচ উদ্বোধনে শেখ হাসিনা

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রথম দিবারাত্রির টেস্ট ম্যাচ খেলা উদ্বোধন করতে আজ শুক্রবার কলকাতায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর এই সফরকে অনেকে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বোঝাপড়া বা চাওয়া-পাওয়ার হিসাব-নিকাশের বাইরে ‘ক্রিকেট কূটনীতি’ হিসেবে দেখছেন।

আজ দুপুরে কলকাতার ইডেন গার্ডেনে বাংলাদেশ ও ভারত প্রথমবারের মতো দিবারাত্রির যে টেস্ট ম্যাচ খেলবে, তা উদ্বোধন করবেন শেখ হাসিনা। প্রথম দিনের খেলার কিছু অংশ দেখে রাতে তিনি ঢাকায় ফিরবেন।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রবিশ কুমার গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে নয়াদিল্লিতে সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার কলকাতায় আসছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ও অনুরোধেই আসছেন। ভারত-বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের নতুন মাত্রার আলোকেই তাঁকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারতের মাটিতে এটিই প্রথম দিবারাত্রির টেস্ট ম্যাচ।’

শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানানোর কারণ ব্যাখ্যা করে রবিশ কুমার বলেন, ‘আমরা মনে করেছি, ভারতের প্রথম দিবারাত্রির টেস্ট ম্যাচ ভারতের ভালো বন্ধুকে দিয়ে উদ্বোধন করাটাই সবচেয়ে যথাযথ হবে। আর এ কারণেই তাঁকে (শেখ হাসিনাকে) আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।’

সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন উঠেছিল সম্প্রতি সীমান্তে বিএসএফের একজন সদস্য গুলিতে নিহত হওয়া নিয়েও। অত্যন্ত স্পর্শকাতর ওই ইস্যুতে প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রও ছিলেন অত্যন্ত সংযত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কলকাতা সফরের কথা উল্লেখ করে সাংবাদিকদের একজন প্রশ্ন করেছিলেন, ‘ঠিক পাঁচ সপ্তাহ আগে আমাদের একজন বিএসএফ হেড কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন দৃশ্যত বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষীর গুলিতে। আমার মনে হয়, ওই ঘটনার সময় আটক একজন ভারতীয় জেলে এখনো বাংলাদেশের হেফাজতে। আমি নিশ্চিত যে ভারত বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে তুলেছে। এ বিষয়ে সর্বশেষ কি তথ্য আছে?’

জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘ওই ঘটনায় ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সীমান্তরক্ষী বাহিনীগুলো বৈঠক করেছে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। সে ধরনের বোঝাপড়াই দুই পক্ষের মধ্যে হয়ে থাকবে।’

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বাংলাদেশ ও ভারত—দুই দেশের জনগণের প্রাণের খেলা ক্রিকেট। এই ক্রিকেটকে কেন্দ্র করেও প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে যে সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক, উষ্ণতা, বিনিময়, যোগাযোগ ও বন্ধন হতে পারে, তা দেখা যাবে আজ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা