kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

সংক্ষিপ্ত

ননদকে সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে হত্যাচেষ্টা পুত্রবধূ গ্রেপ্তার

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

২১ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে পারিবারিক কলহের জেদ মেটাতে পুত্রবধূ তাঁর তিন বছরের শিশু ননদকে হত্যার উদ্দেশ্যে বাড়ির পেছনের টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে ছুঁড়ে ফেলে দেয়। এ ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার রাজগাতী ইউনিয়নের খয়রাটি গ্রামে। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। মঙ্গলবারের এ ঘটনায় অভিযুক্ত পুত্রবধূকে গ্রেপ্তারের পর গতকাল বুধবার মামলা দিয়ে বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বিবরণ ও শিশুর বাবা মুসলিমের ভাষ্য অনুযায়ী জানা যায়, অভিযুক্ত নারী সোমা আক্তার মাহমুদা তাঁর পুত্রবধূ। এক বছর আগে ছেলে এমদাদুল হককে বিয়ে করান। এমদাদুল কর্মসূত্রে নরসিংদী জেলায় থাকে। মাঝেমধ্যে সে বাড়িতে আসে। সাংসারিক বিষয় নিয়ে স্বামী এমদাদুল ও তাদের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ হয় সোমার। ঝগড়া করে বেশ কয়েকবার বাবার বাড়িতেও চলে যায় সে। তাকে ফিরিয়েও আনা হয় প্রতিবার। সোমার বেপরোয়া জীবনযাপনে বাধা দিলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরের জিনিসপত্র ভাঙচুর ও তাদের গালাগাল করতো। একপর্যায়ে সে তাদের শিশুকন্যা রাদিতু (৩) কে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়। মুসলিম আরও জানান, গত মঙ্গলবার বিকেলে তাঁর স্ত্রী তাসলিমা বেগম শিশু রাদিতুকে ঘরের বারান্দায় রেখে পাশের বাড়িতে যান। এ সময় পুত্রবধূ সোমা হঠাৎ রাদিতুকে চরথাপ্পড় মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। একপর্যায়ে তাকে উঠিয়ে বাড়ির পেছনে নিয়ে টয়লেটের ট্যাঙ্কের ভেতর ছুঁড়ে ফেলে। এ ঘটনা দেখে ফেলে বাড়ির লোকজন। রাদিতুকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য মমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করে তাকে। বর্তমানে শিশু ওয়ার্ডে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে রাদিতু। নান্দাইল থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবু তালেব জানান, সোমা আক্তার তাঁকে জানিয়েছেন যে তিনি রাদিতুকে শুধু ধমক দিয়েছিলেন। এরপর সে নিজেই টয়লেটের স্ল্যাবে পড়ে আহত হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা