kalerkantho

বুধবার । ৮ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৫ সফর ১৪৪২

র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ারকে হাইকোর্টে তলব

ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজার আদেশের অনুলিপি দেননি চার মাসেও

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চার মাস আগে দেওয়া সাজার আদেশের কপি সরবরাহ না করায় র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলমকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১ ডিসেম্বর তাঁকে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আবেদনকারীকে সাজার আদেশের কপি দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ব্যর্থতাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং তাঁকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে আদেশের কপি সরবরাহের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ আদেশ দেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের রায়ের অনুলিপি না পেয়ে সংক্ষুব্ধ মো. মিজান মিয়ার করা রিট আবেদনে এ আদেশ দেওয়া হয়।

আইন ও স্বরাষ্ট্রসচিব, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক, নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলমকে সাত দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রিট আবেদনকারী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন খান। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের বটতলা খালপারে অবস্থিত পশুখাদ্য প্রস্তুতকারী তপু এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার মো. মিজান মিয়াকে গত ১৮ জুলাই এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম ২০১০ সালে করা মৎস্য ও পশুখাদ্য আইনে তাঁকে এ সাজা দেন। সেদিনই মিজানকে কারাগারে পাঠানো হয়। এই সাজার আদেশের কপি চেয়ে ২১ জুলাই মিজান মিয়া সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত আদেশের কপি সরবরাহ করা হয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা