kalerkantho

শনিবার । ১৮ জানুয়ারি ২০২০। ৪ মাঘ ১৪২৬। ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

আবরার হত্যা মামলা<>চার্জশিট গৃহীত

পলাতক চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পলাতক চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত। একই সঙ্গে পলাতক চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আজ সোমবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত এই আদেশ দেন।

গতকাল সকালে আবরার হত্যা মামলার নথি উপস্থাপন করা হয় ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলামের আদালতে। নথি পর্যালোচনা করে তিনি চার্জশিট গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই মামলার পলাতক চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। আগামী ৩ ডিসেম্বর পরোয়ানা তামিলসংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই দিন শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়।

যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয় তাঁরা হলেন—মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতাশিমুল রাব্বি তানিন, মোর্শেদ ইসলাম ও মোস্তবা রাফিদ। প্রথম তিনজনই এজাহারনামীয় আসামি।

 রাফিদের নাম এজাহারে ছিল না। তাঁকে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গত ১৩ নভেম্বর আবরার হত্যা মামলায় ২৫ জনকে আসামি করে চার্জশিট দেওয়া হয়। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত শেষে এই চার্জশিট দেয়। এই মামলার ২১ আসামিকে ঘটনার পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁরা বর্তমানে কারাগারে আছেন। চার্জশিটভুক্ত সব আসামি বুয়েটের ছাত্র ও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

উল্লেখ্য, ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেওয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে গত ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নিয়ে যান বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের সিঁড়ির করিডর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ফাহাদের বাবা মো. বরকত উল্লাহ ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তে জানা গেছে, রাত ১০টা থেকে একটানা রাত ২টা পর্যন্ত আবরারকে শিবির সন্দেহে পেটানো হয়। ক্রিকেট স্টাম্প, স্কিপিং দড়ি দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয় তাঁকে। কিল, ঘুষি, লাথিও মারা হয়। এভাবে আবরারকে হত্যা করা হয়।

এ মামলায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আট আসামি। তাঁরা হলেন—ইফতি মোশাররফ হোসেন সকাল, বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান রবিন, মেফতাহুল ইসলাম জিয়ন, অনিক সরকার, মো. মুজাহিদুর রহমান, মনিরুজ্জামান মনির, এ এস এম নাজমুস শাদাত ও তাবাখখারুল ইসলাম তানভীর।

কারাগারে থাকা ২১ আসামি হলেন—মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মেহেদী হাসান রবিন,  মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত ও এস এম মাহমুদ সেতু।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা