kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

ঝিনাইদহে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

পঞ্চগড়ে শ্লীলতাহানি যুবককে পিটুনি

ঝিনাইদহ ও পঞ্চগড় প্রতিনিধি   

১৭ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঝিনাইদহের শৈলকুপায় গত শুক্রবার রাতে এক স্কুলছাত্রীকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাতেই গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে মুখ বাঁধা অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। উপজেলার গাবলা গ্রামের অন্যতম অভিযুক্ত তরুণ (১৭) ঘটনার পর থেকে পলাতক। এদিকে গতকাল শনিবার পঞ্চগড়ে স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক যুবককে পিটুনির পর পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় লোকজন।

হাসপাতালে শৈলকুপার নির্যাতিত শিক্ষার্থী জানায়, রাত ৮টার দিকে সে তার বাবাকে পাশের বাড়ি থেকে ডেকে আনার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। পথে তিনজন তাকে মুখ চেপে ধরে ও বেঁধে পাশের ধানক্ষেতে নিয়ে নির্যাতন করে। সে অভিযুক্ত একজনকে চিনতে পেরেছে। বাকি দুজনের মুখ বাঁধা ছিল।

মেয়েটির বাবা জানান, তিনি রাতে বাড়িতে ফিরে দেখেন মেয়ে নেই। এরপর সবাই মেয়েকে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে ধানক্ষেতে মুখ বাঁধা অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। তিনি ঘটনায় অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি চান।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক নাইম সিদ্দিকী জানান, পরীক্ষা শেষে বলা যাবে মেয়েটি ধর্ষিত হয়েছে কি না।

শৈলকুপা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মহসিন হোসেন বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। প্রধান অভিযুক্ত ও তার সহযোগীরা পলাতক। তাদের আটকে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার চাকলাহাট এলাকায় স্কুলছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকের নাম ওজিফুল ইসলাম নিরব (১৯)। তিনি চাকলাহাট ইউনিয়নের ভাণ্ডারু এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে ও পেশায় নির্মাণ শ্রমিক। এ ঘটনায় গতকাল সন্ধ্যায় ছাত্রীর বাবা পঞ্চগড় সদর থানায় একটি মামলা করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানায়, দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী প্রতিদিনের মতো গতকাল সকালে বিদ্যালয়ে প্রাইভেট পড়তে যায়। বিদ্যালয়ের সামনে নিরব ছাত্রীটিকে শ্লীলতাহানি করেন এবং তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালান। ছাত্রীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন গিয়ে নিরবকে আটক করে পিটুনি দেয়।

জানা যায়, নিরব দীর্ঘদিন ধরে অপরিচিত মোবাইল ফোন নম্বর থেকে ওই ছাত্রীকে তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ বিষয়ে ২ সেপ্টেম্বর থানায় একটি জিডি করে ছাত্রীর পরিবার।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা