kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জানুয়ারি ২০২০। ১৪ মাঘ ১৪২৬। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

সগিরা মোর্শেদ হত্যা

৩০ বছর পর হত্যারহস্য ভেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে ৩০ বছর আগে সগিরা মোর্শেদ সালাম নামে এক নারীকে গুলি করে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ছিনতাইকারীদের গুলিতে সগিরার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেলেও এবার প্রমাণ মিলেছে পারিবারিক বিরোধের জেরেই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছিল তাঁকে।

দীর্ঘদিন বিচারকাজ স্থগিত থাকার পর মামলার পুনঃতদন্তের সুযোগ পেয়ে চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সগিরা মোর্শেদের স্বামীর ভাই ডা. হাসান আলী চৌধুরী, তাঁর স্ত্রী ডা. সায়েদাতুল মাহমুদা শাহীন চৌধুরী, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের কর্মকর্তা আনাস মাহমুদ রেজওয়ান ও আবাসন ব্যবসায়ী মারুফ রেজা। গত রবিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত গ্রেপ্তারের পর দুই দফায় আসামিরা ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মারুফ রেজা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসানের আত্মীয়।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার জানান, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই মেয়েকে স্কুল থেকে আনতে গিয়ে হত্যার শিকার হন সগিরা মোর্শেদ সালাম। তাঁর স্বামী আব্দুস সালাম চৌধুরী রমনা থানায় মামলা করেন। এ মামলায় মন্টু নামে একজনকে দায়ী করে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পুলিশ। মামলাটি দীর্ঘদিন আদালতে চাপা পড়ে থাকার পর চলতি বছরের ১১ জুলাই পিবিআইকে তদন্ত করার নির্দেশ দেন আদালত। বনজ কুমার বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে চারজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার চারজনই মঙ্গল ও বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম  আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র দিতে আদালতের কাছে আরো দুই মাস সময়ের আবেদন করা হয়েছে।

হত্যার কারণ সম্পর্কে পিবিআই প্রধান বলেন, নিহত সগিরা ও গ্রেপ্তারকৃত সায়েদাতুল মাহমুদা শাহীন সম্পর্কে জা। তাঁদের মধ্যে ময়লা ফেলা ও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ  ছিল। সগিরাকে ‘শায়েস্তার জন্য’ মারুফ রেজার সঙ্গে চুক্তি হয় শাহীনের। তাঁর পরিকল্পনায় যুক্ত হন স্বামী হাসান আলী।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা