kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সংসদে কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতি

‘গ্রহজনিত জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার প্রস্তাব গৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উপর্যুপরি দুর্যোগ, জীববৈচিত্র্যের অপূরণীয় ক্ষতি ও সম্পদের অমিতাচারী ব্যবহারের প্রেক্ষাপটে আনীত ‘গ্রহজনিত জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার সাধারণ প্রস্তাব জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে সরকারি দলের সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী প্রস্তাবটি উত্থাপন করলে আলোচনা শেষে কণ্ঠভোটে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। জলবায়ু নিয়ে বাংলাদেশের আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে বিশ্বের মধ্যে প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশের সংসদ গ্রহজনিত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করল।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে আনীত সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেন সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা। তাঁরা বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী না হয়েও সবচেয়ে বেশি ঝুঁকি ও ক্ষতির শিকার হচ্ছে বাংলাদেশ। উন্নত দেশগুলো কার্বন নিঃসরণের ফলে আমাদের মতো দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন হুমকির মুখে পড়েছে। তাই ক্ষতির শিকার হতে যাওয়া সব দেশকে একজোট হয়ে সংকট সৃষ্টিকারী দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হবে। গৃহীত প্রস্তাবটি সারা বিশ্বের জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।

সাবের হোসেন চৌধুরীর প্রস্তাবটি ছিল—‘সংসদের অভিমত এই যে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অস্তিত্বের সংকট, উপর্যুপরি দুর্যোগের ভয়াবহ আঘাত এবং চরমভাবাপন্ন আবহাওয়া বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্যের অপূরণীয় ক্ষতি, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা, ক্রমবর্ধমান পানি সংকট, মহাসাগরগুলোর ওপর অভাবনীয় চাপ এবং সম্পদের অমিতাচারী ব্যবহারের প্রেক্ষাপটে গ্রহজনিত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হোক।’ উত্থাপিত সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহিরয়ার আলম, সরকারি দলের মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর-উত্তম, কাজী নাবিল আহমেদ, নজরুল ইসলাম বাবু, ওয়াশিকা আয়শা খান, জাসদের শিরীন আখতার, বিএনপির হারুনুর রশিদ প্রমুখ।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা