kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী বললেন

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলবে শিগগিরই

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



খুব শিগগিরই বাংলাদেশের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। তিনি বলেছেন, এক শ্রেণির ভেন্ডরের অসহযোগিতার কারণে অনেকে মালয়েশিয়া সরকার কর্তৃক দেওয়া সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তবে  মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। তাঁরা সুবিধা ফিরে পাবেন এবং বাংলাদেশি কর্মী যৌক্তিক অর্থ ব্যয়ে সেখানে যেতে পারবেন।

গতকাল বুধবার রাতে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে এ কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য আসছে। বিশেষ করে এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রচারিত কিছু মনগড়া ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য এই বিভ্রান্তি আরো বাড়াচ্ছে বলে প্রতীয়মান হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও বিভ্রান্তি দূর করার লক্ষ্যে প্রকৃত তথ্য উপস্থাপন করা প্রয়োজন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৬ সালে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে সমঝোতা স্মারকের ভিত্তিতে জিটুজি প্লাস প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের আগস্ট পর্যন্ত প্রায় দুই লাখ ৯০ হাজার কর্মী মালয়েশিয়া কর্তৃক নির্বাচিত ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ওই দেশে যায়। সিন্ডিকেশন ও উচ্চ অভিবাসন ব্যয়ের অভিযোগে মালয়েশিয়ার নতুন সরকার ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে এই পদ্ধতি স্থগিত ঘোষণা করে।’

মন্ত্রী ইমরান বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে সরকার স্থগিত শ্রমবাজারটি চালুর জন্য বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করে। এ বিষয়ে তিনটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ ও সরকারি জোটের আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তথাকথিত সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে বিভিন্ন আলোচনায় উভয় পক্ষ যেকোনো অনৈতিক সিন্ডিকেশনের বিপক্ষে সুস্পষ্ট অবস্থানের কথা জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের চেতনায় অনৈতিকতাবিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে আমি এবং আমার মন্ত্রণালয় বদ্ধপরিকর। কোনো সংসদ সদস্য বস্তুনিষ্ঠ তথ্য থাকলে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করব। কোনো দায়িত্বশীল মানুষ যেন গুজব বা ধারণানির্ভর তথ্য বা মন্তব্য দিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ান। কারণ, এতে বিদেশে ভুল বার্তা যায়, দেশের শ্রমবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেশের ভাবমূর্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। আর স্বার্থান্বেষী মহল লাভবান হয়। প্রবাসী ও বিদেশ গমনে ইচ্ছুক সাধারণ কর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত হন।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা