kalerkantho

বুধবার । ২৯ জানুয়ারি ২০২০। ১৫ মাঘ ১৪২৬। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

লাশ ভেবে মর্গে নেওয়া হয় আহত সৈকতকে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লাশ ভেবে মর্গে নেওয়া হয় আহত সৈকতকে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ট্রেন দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন মির্জা মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন সৈকত। তাঁকে মৃত ভেবে অন্য লাশের সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে। সৈকত যে জীবিত আছেন, সেটা বুঝতে পারেনি কেউ। চার ঘণ্টা পর জ্ঞান ফেরার পর লাশঘরে নিজেকে খুঁজে পান সৈকত। পরে তিনি নিজের শার্ট ছিঁড়ে মাথায় বেঁধে ফেলেন। এরপর বাইরে গিয়ে সাহায্য চান। তখন তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।

সৈকতের এ পরিণতির কথা জানাচ্ছিলেন তাঁর ছোট ভাই আব্রাহাম সাকিব। সাকিব আর সৈকত ঢাকার কেরানীগঞ্জে থাকেন। তাঁদের বাড়ি নোয়াখালীর চৌমুহনী থানার দুর্গাপুর গ্রামে। সাকিব জানান, সৈকত বর্তমানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের ৬ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন। একটি কাজে সিলেটে গিয়েছিলেন সৈকত। সেখান থেকে ফেনী যাওয়ার জন্য চট্টগ্রামের ট্রেনে উঠেছিলেন। গন্তব্যে পৌঁছার আগেই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় পড়েন তিনি। তিন ভাই এক বোনের মধ্যে সবার বড় সৈকত।

সৈকত তাঁর স্বজনদের বলেন, ‘আমি শুনতে পাচ্ছি, আমাকে তারা ডেডবডি বলছে। কিন্তু কিছু বলতে পারছিলাম না। তখন আমার তো জ্ঞান ফেরে আবার জ্ঞান হারাই এমন অবস্থা। কিন্তু কিছু বলার মতো শক্তি বা অবস্থা কোনোটাই ছিল না আমার।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা