kalerkantho

সোমবার । ২০ জানুয়ারি ২০২০। ৬ মাঘ ১৪২৬। ২৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ফরিদপুর মেডিক্যালের কেনাকাটায় দুর্নীতি

দুদকে তিন চিকিৎসককে জিজ্ঞাসাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুর্নীতির অভিযোগে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্টসহ তিন চিকিৎসককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক পরিচালক কাজী শফিকুল আলমের নেতৃত্বে একটি টিম।

 

আলোচিত সাড়ে ৩৭ লাখ টাকার পর্দাসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনাকাটায় বড় পরিসরে দুর্নীতিসংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ পাওয়ায় তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সংশ্লিষ্টরা হলেন ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. শেখ আবদুল, ডা. মিজানুর রহমান ও ডা. এমানুল করিম।

জানা যায়, দুদকের অনুসন্ধানে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সরঞ্জামাদি কেনার নামে হরিলুটের তথ্য-প্রমাণ মেলে। এই জালিয়াতির সঙ্গে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা পায় দুদক। পরে ওই সব অভিযোগের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন চিকিত্সককে দুদকে তলব করা হয়।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে মেসার্স অনিক ট্রেডার্স অতিরিক্ত বিল দেখিয়ে ৫২ কোটি ৬৬ লাখ ৭১ হাজার ২০০ টাকার ১৬৬টি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করে। এসবের প্রকৃত বাজারমূল্য ১১ কোটি ৫৩ লাখ ৪৬৫ টাকা। এরই মধ্যে অনিক ট্রেডার্স ৪১ কোটি ১৩ লাখ ৭০ হাজার ৭৩৭ টাকার বিল উত্তোলন করে। নানা অসংগতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে আরো ১০ কোটি টাকার বিল আটকে দেওয়া হয়। ওই বিল পেতে ২০১৭ সালের ১ জুন অনিক ট্রেডার্স হাইকোর্টে রিট করে। এর পরই মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কাছে ১০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতির তালিকা চেয়ে পাঠায়। পরবর্তী সময় বিষয়টি তদন্তে দুদককে নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা