kalerkantho

রবিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০২০। ৫ মাঘ ১৪২৬। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

দলীয় কর্মী ও স্ত্রী-সন্তানকে নির্যাতনের অভিযোগ

দিনাজপুরে জেলা যুবলীগ সভাপতিসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

দিনাজপুর প্রতিনিধি   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দিনাজপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি রাশেদ পারভেজসহ চারজনের নাম উল্লেখসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। দলীয় কর্মীকে অপহরণ করে চাঁদা দাবি, মারধর, হুমকি ও তাঁর স্ত্রী-সন্তানকে নির্যাতনের অভিযোগে এই মামলা দায়ের হয়েছে।

চিরিরবন্দর উপজেলার রানীপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে যুবলীগকর্মী আব্দুল্লাহ আল মামুন গত সোমবার মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে জেলা যুবলীগের সভাপতি ছাড়াও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির রিটেইনার ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা, শামীম আক্তার, যুবলীগকর্মী সারোয়ার হোসেন এমিল ও আব্দুল্লাহ আল মামুন সৌরভের নাম রয়েছে। এ ছাড়া ১৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে। মামলা তদন্তে গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মোকারম হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর রিটেইনার ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা ও শামীম আক্তার জেলা যুবলীগ সভাপতি রাশেদ পারভেজের ছত্রচ্ছায়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে ২৫৩টি পরিবারের কাছ থেকে প্রায় চার লাখ টাকা নেন। এ নিয়ে বাদী জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। এতে রাশেদ পারভেজ ক্ষিপ্ত হয়ে ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ রানা, শামীম আক্তার, সারোয়ার হোসেন এমিল, আব্দুল্লাহ আল মামুন সৌরভসহ ১০-১৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে গত ৫ নভেম্বর রাত ১০টার দিকে বাদী মামুনকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে রাস্তায় মারধর করে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যান। সেখানে তাঁরা বাদী মামুনকে অমানুষিক নির্যাতন শেষে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা চালান। তাঁর কাছ থেকে মোবাইল ফোনসেট ও এক লাখ ১৫ হাজার টাকা কেড়ে নেওয়া হয়। পরে পুলিশে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে তাঁকে কোর্টে চালান দেওয়া হয়। বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে জামিন দেন।

এজাহারে আরো বলা হয়, হামলা ও হুমকির ঘটনায় মামুন তাঁর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে চিরিরবন্দর থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেওয়া হয়নি। এ অবস্থায় তাঁরা আট মাসের সন্তানকে নিয়ে গত ৭ নভেম্বর সংবাদ সম্মেলন করতে গেলে দিনাজপুর প্রেস ক্লাবের সামনে রাশেদ পারভেজসহ অন্যরা মামুনের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে মারধর করে মোবাইল ফোনসেট ও টাকা কেড়ে নেন। তাঁর স্ত্রীর শ্লীলতাহানি ও সন্তানকে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। এ সময় তাঁরা দৌড়ে প্রেস ক্লাবে আশ্রয় নেন।

কোতোয়ালি থানার ওসি বজলুর রশিদ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগ তদন্তে গোয়েন্দা পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা