kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

ঢাকা গ্লোবাল ডায়ালগ

‘ইন্দো-প্যাসিফিকের’ পক্ষে গুণগান পর্যবেক্ষণে ঢাকা

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকা গ্লোবাল ডায়ালগের প্রথম ও দ্বিতীয় দিনে ইন্দো-প্যাসিফিক পরিকল্পনার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন ভারতসহ পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতিনিধিরা। তবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা চীনের ‘ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড বা বেল্ট রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)’ ও যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইন্দো-প্যাসিফিক’ উদ্যোগ—দুটিকেই পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিন দিনের সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় একটি হোটেলে প্যানেল আলোচনার বিষয় ছিল ‘ইন্দো-প্যাসিফিকে সংযোগ : অবকাঠামো ও প্রভাব’। ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিস (বিস)’ ও ভারতের ‘অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশন (ওআরএফ)’ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।

প্যানেল আলোচনায় ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস ইন্দো-প্যাসিফিক পরিকল্পনার ব্যাপারে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি প্রসঙ্গে বলেন, বৈশ্বিকভাবে এবং ভারতের কাছে ‘ইন্দো-প্যাসিফিক’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ট্রিলিয়ন ডলার ক্লাবের (বার্ষিক জিডিপি এক ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি এমন অর্থনীতির দেশগুলো) ১২টি দেশেরই অবস্থান ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে। সব পূর্বাভাসেই বলা হয়েছে, ২০৩০ সাল নাগাদ ট্রিলিয়ন ডলার ক্লাবের ২৫টি দেশের ২১টিই থাকবে ওই অঞ্চলের।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, “ভারত উন্মুক্ত, অংশগ্রহণমূলক ও সুশৃঙ্খল এমন ব্যবস্থা চায়, যা স্থিতিশীল, নিরাপদ ও সুরক্ষিত। আমরা ‘ফ্রিডম অব নেভিগেশন’ এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান চাই।”

তিনি বলেন, ভারতের কাছে ইন্দো-প্যাসিফিক কোনো কৌশল, ক্লাব বা গ্রুপ নয়। বিআরআই প্রকল্পভিত্তিক উদ্যোগ। অন্যদিকে ইন্দো-প্যাসিফিক হলো প্রকৃতিগত অঞ্চল।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেন, “বাংলাদেশের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট ও জোরালো। আমরা বিশ্বাস করি, চীনের ‘বিআরআই’ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইন্দো-প্যাসিফিক’ পরস্পরের পরিপূরক। তবে এখনই এ বিষয়ে মন্তব্য করার সময় আসেনি। কারণ এখনো এটি বিকশিত হচ্ছে।”

ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি এখনো নতুন। ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল আসলে কী, সে বিষয়টি অনেকের কাছেই স্পষ্ট নয়।

তিনি বলেন, এটি স্পষ্ট যে এই শতাব্দী এশিয়ার। এই অঞ্চলের দিকে বিশ্বের বড় শক্তি ও সামরিক শক্তিগুলো দৃষ্টি দিচ্ছে। ফলে এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে যতটা সম্ভব সহযোগিতামূলক সম্পর্ক থাকা উচিত।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা