kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

রাজশাহীতে শ্রমিক নেতা হত্যার এজাহার বদল!

পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ

বিশেষ প্রতিনিধি   

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজশাহীর পুঠিয়ার শ্রমিক নেতা নুরুল ইসলাম হত্যা মামলার এজাহার বদলে ফেলার সঙ্গে জড়িত থাকায় রাজশাহীর তিন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাহমুদুল হাসান, মু. মতিউর রহমান ও মো. আবুল কালাম সাহিদ এবং পুঠিয়া থানার দুই পরিদর্শক সাবেক ওসি শাকিল উদ্দিন আহমেদ বাপ্পি ও  মহিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি। রাজশাহীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান তালুকদারের এই

তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার হাইকোর্ট এ বিষয়ে আদেশ দেবেন বলে জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শ গ্রহণ করেন মর্মে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাঁর জবানবন্দিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মতিউর রহমান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুঠিয়া সার্কেল) আবুল কালাম সাহিদ এবং পুঠিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মহিনুল ইসলামের পরামর্শ নেওয়া কথা উঠে এসেছে। ফলে এজাহার কারসাজির বিষয়ে তাঁরাও দায় এড়াতে পারেন না।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এটা প্রত্যাশিত যে ন্যায়বিচারের দাবিতে সদ্য পিতাহারা এক সন্তান থানা প্রশাসনের সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও আন্তরিকতা প্রাপ্যের অধিকারী ছিলেন, যেটি দেখাতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে।

এদিকে গত ১৮ জুন রাজশাহীর এসপি এক সংবাদ সম্মেলন করে নিহত নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সমকামিতার অভিযোগ আনেন। এসপির পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘নুরুল ইসলামের সমকামিতার অভ্যাস ছিল। এলাকার এক কিশোরকে তিনি এ কাজে বাধ্য করতেন।’ এসপির এই সংবাদ সম্মেলনের কথা গত ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে তুলে ধরেন আইনজীবী। শুনানি শেষে আদালত আদেশ বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা