kalerkantho

মঙ্গলবার। ৫ মাঘ ১৪২৭। ১৯ জানুয়ারি ২০২১। ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

‘বুলবুল’ মোকাবেলায় বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা প্রস্তুত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবেলা এবং দুর্যোগ-পরবর্তী সহায়তার জন্য প্রস্তুত আছে বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব পদাতিক ডিভিশন। সাতক্ষীরায় সেনা মোতায়েন সম্পন্ন করার কথা গতকাল শনিবার জানিয়েছে আইএসপিআর।

গত রাত সাড়ে ৮টায় আইএসপিআর জানায়, গত ৭ নভেম্বর থেকে এই ঘূর্ণিঝড়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় ও ত্রাণ তৎপরতা মনিটরিং সেল’ সার্বক্ষণিক সচল করা হয়েছে। সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের অনুরোধে যশোর থেকে সেনাবাহিনীর ১২০ সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল প্রয়োজনীয় চিকিৎসকদল ও যানবাহন নিয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগরের উদ্দেশে যাত্রা করেছে। তারা প্রাথমিকভাবে স্থানীয় জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরে সহায়তা দেবে।

সেনাবাহিনীর সব ফরমেশন স্থানীয় সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করছে এবং যেকোনো প্রয়োজনে সহায়তা করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে প্রয়োজনীয় উদ্ধারসামগ্রী নিয়ে প্রস্তুত রয়েছেন। এ ছাড়া সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দুর্যোগ-পরবর্তী সহায়তার জন্য ওষুধসামগ্রী, খাবার পানি, শুকনা খাবার জরুরি প্রয়োজনে বিতরণের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসংক্রান্ত যোগাযোগের জন্য ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং সেল চালু রয়েছে।

এ ছাড়া জানানো হয়, সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ব্রিগেড বা ডিভিশন জরুরি সহায়তার জন্য বেসরকারি প্রশাসনের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ অক্ষুণ্ন রেখেছে। নৌবাহিনীর ২৭টি জাহাজ নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে।

নৌবাহিনী জানায়, ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী জরুরি উদ্ধার, ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তার জন্য বরিশাল, ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা ও সাতক্ষীরায় পাঁচটি, চট্টগ্রামে তিনটি ও সেন্ট মার্টিনসে দুটি যুদ্ধজাহাজসহ নৌ কন্টিনজেন্ট ও মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত আছে। খুলনা অঞ্চলের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনায় বানৌজা কর্ণফুলী, তিস্তা, পদ্মা, এলসিভিপি ০১২ ও এলসিভিপি ০১৩ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি চারটি নৌ কন্টিনজেন্ট যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে।

বিমানবাহিনীর সদর দপ্তরে ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল সচল করা হয়েছে। বিমানবাহিনীর সব এয়ারক্রাফট দুর্যোগ-পরবর্তী রেকি এবং যেকোনো জরুরি মিশনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া বিমানবাহিনীর একটি অগ্রগামী দুর্যোগ মোকাবেলা দল বরিশালের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা