kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাব ব্যাটালিয়ন

৬৭৭ পদের জনবল কাঠামো অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান   

৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার এবং সন্ত্রাস দমনসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে অন্যান্য বাহিনীর পাশাপাশি র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের একটি ইউনিট পার্বত্য চট্টগ্রামে খুব শিগগির স্থায়ীভাবে কাজ শুরু করবে। এর আগে দেশের সব এলাকায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন কাজ করলেও পার্বত্য চট্টগ্রামে তাদের কোনো দপ্তর ছিল না। নবগঠিত পার্বত্য ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-১৫ নামে পরিচিত হবে।

একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বান্দরবান ও রাঙামাটি জেলার মাঝামাঝি কোনো একটি এলাকায় র‌্যাব-১৫-এর সদর দপ্তর স্থাপন করে বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলার সব এলাকায় কাজ করবে।

গত ৬ নভেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের মঞ্জুরি আদেশে জানানো হয়, স্বতন্ত্র এই ব্যাটালিয়নের জন্য ৬৭৭ জনের একটি জনবল কাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গত ১৬-১৭ অক্টোবর রাঙামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার প্রতিনিধিদের নিয়ে অনুষ্ঠিত বিশেষ আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ ধরনের ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল খোলাখুলি কোনো মন্তব্য করেননি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের জীবন ও সম্পদ রক্ষার জন্য প্রয়োজনে সরকার র‌্যাব বা অন্য কোনো বাহিনী মোতায়েনের মাধ্যমে সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ নেবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিংও অনুরূপ মন্তব্য করেন।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের কঠোর ইঙ্গিতের পর ধারণা করা হচ্ছিল, সরকার অস্ত্র উদ্ধারে সেনাবাহিনী নামাতে পারে।

এদিকে ঘোষণার তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও বিশেষ অভিযানের কোনো উদ্যোগ লক্ষ করা যায়নি। তবে পার্বত্য চট্টগ্রামে র‌্যাবের নতুন একটি স্থায়ী ব্যাটালিয়নের জন্য জনবল কাঠামো অনুমোদিত হওয়ায় ধারণা করা যাচ্ছে যে শিগগিরই সন্ত্রাসবিরোধী যৌথ অভিযান শুরু হতে পারে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব আজীজ হায়দার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত মঞ্জুরি আদেশে বলা হয়েছে, স্থায়ীভাবে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৫-এর জন্য অনুমোদিত নতুন জনবল কাঠামোতে একজন পরিচালকের অধীনে ছয়টি উপপরিচালক, ৩৫টি সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও ৫৪টি উপসহকারী পরিচালকের পদ সৃজন করা হয়েছে। এই ব্যাটালিয়নের অধীনে ১৩০টি উপপরিদর্শক (এসআই), ১৫২টি সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই), ৩৫টি নায়েক ও ২৩৬টি কনস্টেবল পদ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আবাসিক মেডিক্যাল অফিসারের একটি, হিসাবরক্ষকের একটি, ক্যাশিয়ারের একটি, একজন ধর্মীয় শিক্ষক, কুক কনস্টেবল ২২টি ও মেস ওয়েটারের দুটি পদও সরকারি মঞ্জুরি পেয়েছে। একই আদেশে ৮৪টি যানবাহন, ক্লোজড সার্কিট (সিসি) টিভি ক্যামেরাসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি সংযোজনের অনুমোদনও দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা