kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আপিল বিভাগের স্থগিতাদেশ

গুঁড়া দুধের চালান আটকে দিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস

৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্যারালাল আমদানিকারকদের আনা সাড়ে তিন কোটি টাকার বেশি মূল্যের শিশুখাদ্য নিডো গুঁড়া দুধের চালান আটকে দিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর আগে গত রবিবার আমদানীকৃত এসব পণ্য খালাসের নির্দেশনা সংবলিত হাইকোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন আপিল বিভাগ।

জানা গেছে, প্যারালাল আমদানিকারকরা নেসলে কম্পানির (প্যারেন্ট কম্পানি, যার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডে) কোনো ধরনের আইনগত কর্তৃত্ব ছাড়াই কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে ফাঁকি দিয়ে এত দিন নেসলের মেধাস্বত্ব এবং দেশের আমদানি ও অন্যান্য আইনি বিধান লঙ্ঘন করে নিয়মিত বিরতিতে নেসলে ব্র্যান্ডের বিভিন্ন গুঁড়া দুধ আমদানি করে আসছিল। সেসবের মধ্যে নিডো, ল্যাকটোজেনসহ নানা ব্র্যান্ডের গুঁড়া দুধ রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্যারালাল আমদানিকারক জায কালেকশন ও মেসার্স আল-মুসাফা এন্টারপ্রাইজ দুবাই থেকে সাড়ে তিন কোটি টাকার বেশি মূল্যের শিশুখাদ্য নিডো গুঁড়া দুধের চালান আমদানি করে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ প্রচলিত আমদানি নীতি অনুযায়ী তা খালাস না করার সিদ্ধান্ত নিলে উল্লিখিত প্যারালাল আমদানিকারকরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দুটি রিট মামলা করে। হাইকোর্ট বিভাগ যথাযথ শুল্ক পরিশোধ সাপেক্ষে ওই চালান খালাসের জন্য চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন।

এদিকে নেসলে কম্পানির সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান নেসলে বাংলাদেশ লিমিটেড হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করে। আপিলে হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়। গত রবিবার উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক ও শুনানি শেষে হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন আপিল বিভাগ।

আপিল শুনানির সময় নেসলে বাংলাদেশের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুরাদ রেজা ও ব্যারিস্টার হামিদুল মিসবাহ। প্যারালাল আমদানিকারকদের পক্ষে ছিলেন একাধিক সিনিয়র আইনজীবী। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা