kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রূপপুর প্রকল্পে দুর্নীতি

আরো ৬ প্রকৌশলীকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ভবনের জন্য বিছানা-বালিশ ও আসবাব কেনায় দুর্নীতির অভিযোগে গণপূর্ত বিভাগের আরো সাত প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কয়েক দফায় তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি অনুসন্ধান টিম ওই প্রকৌশলীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাঁরা হলেন—পাবনা গণপূর্ত বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান এবং উপসহকারী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম, সুমন কুমার নন্দি, শাহীন উদ্দিন ও জাহিদুল করিম। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা রাজশাহী গণপূর্ত সার্কেলের

 তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম জিল্লুর রহমান গতকাল বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুদক কার্যালয়ে হাজির হননি।

একই অভিযোগে গত বুধবার গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলম, উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. তারেক, তাহাজ্জুদ হোসেন ও মোস্তফা কামাল, উপসহকারী প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান, আবু সাঈদ ও ফজলে হককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

গত ৩ নভেম্বর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শৌকত আকবরসহ মোট ৩৩ জন প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে চিঠি দেয় দুদক। পর্যায়ক্রমে তাঁদের প্রত্যেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক টিম। বাকিদের পর্যায়ক্রমে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগামী ১১, ১২ ও ১৩ নভেম্বর দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নির্মাণাধীন গ্রিন সিটি আবাসন প্রকল্পের ২০ ও ১৬ তলা ভবনের আসবাবসহ প্রয়োজনীয় মালামাল কেনা এবং ভবনে উত্তোলন কাজে অস্বাভাবিক ব্যয় নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে তোলপাড় শুরু হয়। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় গত ১৯ মে দুটি তদন্ত কমিটি গঠনের পাশাপাশি দুদক পৃথক একটি কমিটি গঠন করে। দুদক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনকে প্রধান করে গত ১৭ অক্টোবর গঠিত এই তদন্ত কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন দুদকের সহকারী পরিচালক আতিকুর রহমান ও উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ।

জানা গেছে, ওই প্রকল্পে একটি বালিশের দাম পাঁচ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং তা ফ্ল্যাটে ওঠানোর খরচ ৭৬০ টাকা করে দেখানো হয়েছে। এরই মধ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দুই কমিটির তদন্তে ৬২ কোটি ২০ লাখ ৮৯ হাজার টাকা অনিয়মের তথ্য উঠে এসেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা