kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ঘোষণা

ঢাকা অ্যাটাক ও পুত্র সেরা ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৫ মিনিটে



ঢাকা অ্যাটাক ও পুত্র সেরা ছবি

২০১৭ ও ২০১৮ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার তথ্য মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে। ২০১৮ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে ২৮টি বিভাগে। ২০১৭ সালের জন্য পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে ২৭টি বিভাগে।

তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘হালদা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ২০১৭ সালের সেরা অভিনেত্রী নির্বাচিত হয়েছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। ২০১৮ সালের ‘দেবী’ ছবিতে রানু চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বিচারকদের মন জয় করেছেন জয়া আহসান। ২০১৭ সালের যৌথভাবে সেরা অভিনেতা নির্বাচিত হয়েছেন ‘সত্তা’ ছবির শাকিব খান এবং ‘ঢাকা অ্যাটাক’ চলচ্চিত্রের আরিফিন শুভ। ২০১৮ সালের যৌথভাবে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পাচ্ছেন ‘পুত্র’ চলচ্চিত্রের জন্য ফেরদৌস এবং ‘জান্নাত’ চলচ্চিত্রের জন্য সায়মন সাদিক।

২০১৭ সালের সেরা চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে ‘ঢাকা অ্যাটাক’ আর ২০১৮ সালে ‘পুত্র’। ২০১৭ সালের সেরা পরিচালক হয়েছেন ‘গহীন বালুচর’ চলচ্চিত্রের জন্য নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ। ২০১৮ সালের সেরা নির্মাতা হয়েছেন ‘জান্নাত’ চলচ্চিত্রের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান মানিক।

২০১৭ সালের ‘হালদা’ চলচ্চিত্রে খলচরিত্রে অভিনয় করে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পাচ্ছেন জাহিদ হাসান। ২০১৮ সালের ‘একটি সিনেমার গল্প’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে বিচারকদের নজর কেড়েছেন সাদেক বাচ্চু। তাই ওই বছরের খলচরিত্রে সেরা পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি।

পার্শ্বচরিত্রে সেরা অভিনেতা হয়েছেন ২০১৭ সালে মুক্তি পাওয়া বদরুল আনাম সৌদের ‘গহীন বালুচর’ ছবিতে অভিনয়কারী শাহাদাৎ হোসেন। ২০১৮ সালে মোস্তাফিজুর রহমান মানিকের ‘জান্নাত’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে পার্শ্বচরিত্রে সেরা অভিনেতা নির্বাচিত হন আলীরাজ।

২০১৮ সালে কৌতুক করে সেরা অভিনেতা হলেন মোশাররফ করিম ও আফজাল শরীফ। প্রথমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন ২০১৮ সালের ‘কমলা রকেট’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে মোশাররফ করিম। এ ছাড়া ‘পবিত্র ভালোবাসা’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে এ শ্রেণিতে পুরস্কার পাচ্ছেন আফজাল শরীফ।

২০১৭ সালের জাতীয় পুরস্কার পেলেন যাঁরা : আজীবন সম্মাননা—এ টি এম শামসুজ্জামান ও সালমা বেগম সুজাতা, শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র—বিশ্ব আঙ্গিনায় অমর একুশে (বাংলাদেশ টেলিভিশন), শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক—বদরুল আনাম সৌদ (গহীন বালুচর), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্রে—শাকিব খান রানা (সত্তা) ও মাহবুবুর আরিফিন শুভ (ঢাকা অ্যাটাক), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্রে—নুসরাত ইমরোজ তিশা (হালদা), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্বচরিত্রে—মোহাম্মাদ শাহাদাৎ হোসেন (গহীন বালুচর), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্বচরিত্রে—সুবর্ণা মুস্তাফা (গহীন বালুচর), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী খলচরিত্রে—জাহিদ হাসান (হালদা), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী কৌতুক চরিত্রে—ফজলুর রহমান বাবু (গহীন বালুচর), শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী—নাইমুর রহমান আপন (সিটকিনি), শিশু শিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার—অনন্য সামায়েল (আঁখি ও তার বন্ধুরা), শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক—এম ফরিদ আহমেদ হাজরা (তুমি রবে নীরবে), শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক—ইভান শাহরিয়ার সোহাগ (ধ্যাত্তেরিকি), শ্রেষ্ঠ গায়ক—মাহফুজ আনাম জেমস (সত্তা—তোর প্রেমেতে অন্ধ), শ্রেষ্ঠ গায়িকা—মমতাজ (সত্তা—না জানি কোন অপরাধে), শ্রেষ্ঠ গীতিকার—সেজুল হোসেন (সত্তা—না জানি কোন অপরাধে), শ্রেষ্ঠ সুরকার—বাপ্পা মজুমদার (সত্তা—না জানি কোন অপরাধে), শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার—আজাদ বুলবুল (হালদা), শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার—তৌকীর আহমেদ (হালদা), শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা—বদরুল আনাম সৌদ (গহীন বালুচর), শ্রেষ্ঠ সম্পাদক—মোহাম্মাদ কালাম (ঢাকা অ্যাটাক), শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক—উত্তম কুমার গুহ (গহীন বালুচর), শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক—কমল চন্দ্র দাশ (গহীন বালুচর), শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক—রিপন নাথ (ঢাকা অ্যাটাক), শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা—রীতা হোসেন (তুমি রবে নীরবে) এবং শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান—জাভেদ মিয়া (ঢাকা অ্যাটাক)।

২০১৮ সালের জাতীয় পুরস্কার পেলেন যাঁরা : আজীবন সম্মাননা—আলমগীর ও প্রবীর মিত্র, শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র—পুত্র (চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর), শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র—গল্প সংক্ষেপ (বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট), শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র—রাজাধিরাজ রাজ্জাক (ফরিদুর রেজা সাগর), শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক—মোস্তাফিজুর রহমান মানিক (জান্নাত), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্রে—ফেরদৌস আহমেদ (পুত্র), মোহাম্মাদ সায়মন সাদিক (জান্নাত), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্রে—জয়া আহসান (দেবী), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্বচরিত্রে—আলীরাজ (জান্নাত), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্বচরিত্রে—সুচরিতা (মেঘকন্যা), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী খলচরিত্রে—সাদেক বাচ্চু (একটি সিনেমার গল্প), শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী কৌতুক চরিত্রে—মোশাররফ করিম (কমলা রকেট), আফজাল শরীফ (পবিত্র ভালোবাসা), শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী—ফাহিম মোহতাসিম লাজিম (পুত্র), শিশু শিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার—মাহমুদুর রহমান অনিন্দ্য (মাটির প্রজার দেশে), শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক—ইমন সাহা (জান্নাত), শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক—মাসুম বাবুল (একটি সিনেমার গল্প), শ্রেষ্ঠ গায়ক—নাইমুল ইসলাম রাতুল (পুত্র), শ্রেষ্ঠ গায়িকা—সাবিনা ইয়াসমিন (পুত্র) ও আঁখি আলমগীর (একটি সিনেমার গল্প), শ্রেষ্ঠ গীতিকার—কবির বকুল (নায়ক) ও জুলফিকার রাসেল (পুত্র), শ্রেষ্ঠ সুরকার—রুনা লায়লা (একটি সিনেমার গল্প), শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার—সুদীপ্ত সাঈদ খান (জান্নাত), শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার—সাইফুল ইসলাম মান্নু (পুত্র), শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা—এম এম হারুণ-অর-রশীদ (পুত্র), শ্রেষ্ঠ সম্পাদক—তারিক হোসেন বিদ্যুৎ (পুত্র), শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক—উত্তম কুমার গুহ (একটি সিনেমার গল্প), শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক—জেড এইচ মিন্টু (পোস্টমাস্টার ৭১), শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক—আজম বাবু (পুত্র), শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজসজ্জা—সাদিয়া শবনম শান্তু (পুত্র) এবং শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান—ফরহাদ রেজা মিলন (দেবী)।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা