kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

হয়রানির শিকার সাগুফতার সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিমালিকানাধীন হাউজিং কম্পানি ‘সাগুফতা হাউজিং’-এর ক্রয় করা ভূমি সরকারের কাছে অধিগ্রহণের প্রস্তাব পাঠিয়েছিল ন্যাশনাল হাউজিং কম্পানি। তবে সরকার ওই ভূমি তাদের বরাদ্দ দেয়নি। এদিকে সাগুফতার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত রায় দিয়েছেন, ওই জমির মালিক সাগুফতা। অন্যদিকে বরাদ্দ না পেয়েও জমির মালিকানা দাবি করে আসছে ন্যাশনাল হাউজিং। এতে দখল পাচ্ছে না সাগুফতা, হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাগুফতা থেকে জমি কেনা প্লট মালিকরা।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এসব অভিযোগ জানাতে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসে সাগুফতা হাউজিং লিমিটেডের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে বলা হয়, পাকিস্তান আমলে ১৯৬৬ সালে এবং বাংলাদেশ আমলে ১৯৭২-৭৩ সালে সরকার বর্তমান পল্লবী থানার বাউনিয়া মৌজার ১৪৮ একর জায়গা অধিগ্রহণ করে। ওই অধিগ্রহণের গেজেট প্রকাশিত হয় ১৯৭৪ সালে। নথিপত্রে দেখা যায়, সরকার ওই মৌজার ১৯.৬ একর জায়গা অধিগ্রহণ করেনি। অধিগ্রহণ না করা জায়গার মধ্যে সাগুফতা হাউজিং ১২ একর জায়গা বিভিন্ন মালিকের কাছ থেকে ক্রয় করে এবং প্লট হিসেবে ৩০০ লোকের কাছে বিক্রি করে।

পরবর্তী সময়ে ২০১৩ সালে ন্যাশনাল হাউজিং কম্পানি ঢাকার জেলা প্রশাসকের কাছে আগে অধিগ্রহণ না করা ১৯.৬ একর জায়গা নতুনভাবে অধিগ্রহণ করে তাদের কাছে ন্যস্ত করার জন্য চিঠি দেয়। জেলা প্রশাসক ওই জায়গা ন্যাশনাল হাউজিংয়ের অনুকূলে বরাদ্দ দেননি। সাগুফতার বিক্রি করা জায়গার প্লট মালিকরা তাঁদের ক্রয় করা জায়গার উন্নয়নকাজ করতে গেলে বাধা দেয় ন্যাশনাল হাউজিং। এ ছাড়া সাগুফতার জায়গায় পানি, বিদ্যুৎসহ স্যুয়ারেজব্যবস্থার জন্য সিটি করপোরেশনের সহযোগিতার প্রয়োজন। সিটি করপোরেশনের ওই কাজ করতে হলে ন্যাশনাল হাউজিং থেকে অনাপত্তিপত্রের প্রয়োজন হয়। বারবার আবেদন করলেও ন্যাশনাল হাউজিং তাদের অনাপত্তিপত্র দিচ্ছে না।

শেষ পর্যন্ত ২০১৩ সালে সাগুফতা অনাপত্তিপত্রের জন্য আদালতে মামলা দায়ের করে। ২০১৬ সালে আদালত এক রায়ে ৩০ দিনের মধ্যে সাগুফতাকে অনাপত্তিপত্র দেওয়ার নির্দেশ দিলেও ন্যাশনাল হাউজিং তা মানছে না। অনাপত্তিপত্র না পাওয়ার কারণে চরমভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাগুফতা ও তাদের বিক্রি করা জায়গার ৩০০ প্লট মালিক। প্লটের মালিকরা জমির অনাপত্তিপত্র এনে দিতে চাপ দিচ্ছেন সাগুফতাকে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা