kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বাংলাদেশ নিয়ে গবেষণা

প্রতিশ্রুতিশীল ১৬ খাত চিহ্নিত করল যুক্তরাষ্ট্র

বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণই লক্ষ্য

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশের অর্থনীতির বহুমুখীকরণ এবং প্রবৃদ্ধিতে নতুন গতিসঞ্চারে সহায়তার জন্য পোশাকশিল্পের বাইরে প্রতিশ্রুতিশীল ১৬টি খাত চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সেগুলো হলো অ্যাগ্রো-প্রসেসিং (কৃষি প্রক্রিয়াকরণ), অটোমেটিভ বা ট্রাক-বাস অ্যাসেম্বলিং (সংযোজন), সিরামিক, এন্টারপ্রেনারশিপ, স্বাস্থ্যসেবা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং আউটসোর্সিং, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল, চিকিৎসা সরঞ্জাম, ওষুধ সামগ্রী, প্লাস্টিক, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও জ্বালানি দক্ষতা, জাহাজ নির্মাণ, চিংড়ি ও মৎস্য, টেলিযোগাযোগ ও পর্যটন।

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস জানায়, গতকাল মঙ্গলবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে ওই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (ইউএসএআইডি) উপপ্রশাসক বনি গ্লিক এবং বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন উপপ্রধান জোঅ্যান ওয়াগনার।

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ওই প্রতিবেদনকে বহুমুখীকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেছে। বাংলাদেশের বেসরকারি খাতবিষয়ক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইন্সপিরা অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড কনসালটেন্সি লিমিটেডের মাধ্যমে বেসরকারি খাত মূল্যায়নের (পিএসএ) এই কার্যক্রম পরিচালিত হয় গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের জুলাই মাসের মধ্যে।

যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বলেছে, তাদের ওই মূল্যায়ন প্রতিবেদনের ফল বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ সংস্কার উদ্যোগকে সমর্থন করে। এ ছাড়া ওই প্রতিবেদন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরো এগিয়ে নিতে সরকার ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা আরো গভীর করতে সহায়তা করবে।

ইউএসএআইডি ও অন্যান্য বিভাগের মাধ্যমে এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এই প্রতিবেদনে চিহ্নিত অগ্রাধিকার খাতগুলো বিশ্লেষণ এবং এই খাতগুলোতে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণ করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কৌশল অনুসন্ধান করবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা