kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

অধ্যক্ষকে পানিতে ফেলার ঘটনা

মূল আসামিরা অধরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী   

৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষকে পানিতে ফেলার ঘটনার মূল আসামিরা এখনো অধরা। সিসি ক্যামেরায় ফুটেজ থাকার পরও জড়িতদের হদিস পাচ্ছে না পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার অধ্যক্ষের কার্যালয়ে নগর পুলিশের উপকমিশনার সাজিদ হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। 

এদিকে গতকাল পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত করে ক্লাসে ফিরেছেন। তবে ক্লাসে ফেরার আগে তাঁরা ক্যাম্পাসে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ এবং মূল অভিযুক্তরা দ্রুত গ্রেপ্তার না হলে আবারও আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন।

মিডটার্ম পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া এবং ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা পলিটেকনিক শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক কামাল হোসেন সৌরভকে ফাইনাল পরীক্ষায় সুযোগ দেওয়ার জন্য গত শনিবার দুপুরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অধ্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে চাপ দেন। অধ্যক্ষের সঙ্গে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে ক্যাম্পাসের একটি পুকুরে ফেলে দেয়।

এ ঘটনায় নগরীর চন্দিমা থানায় ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন অধ্যক্ষ। এতে সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়। আসামিরা হলেন—কম্পিউটার বিভাগের অষ্টম পর্বের ছাত্র কামাল হোসেন সৌরভ ও সাবেক ছাত্র মারুফ, ইলেকট্রনিকস বিভাগের পঞ্চম পর্বের মুরাদ, পাওয়ার বিভাগের সাবেক ছাত্র শান্ত, ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের সাবেক ছাত্র বনি, মেকাট্রনিকস বিভাগের সাবেক ছাত্র হাসিবুল ইসলাম শান্ত, ইলেকট্রমেডিক্যাল বিভাগের সাবেক ছাত্র সালমান টনি। ঘটনার পর এ পর্যন্ত পুলিশ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

চন্দি মা থানার ওসি শেখ মো. গোলাম মোস্তফা জানান, মূল অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে সব ধরনের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা