kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

বানিয়াচং থানা

‘প্রকৃত ধর্ষক’ আড়াল করতে কৌশলী পুলিশ

বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ধর্ষিতা ও তার পরিবারের সম্মতি ছাড়া পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ধর্ষণ মামলা করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে নির্যাতিত ওই কিশোরীর পরিবার। ধর্ষিতা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি ছাড়াই মামলাটি করে আসল অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রকৃত আসামিদের বাদ দিয়ে মামলা করার অভিযোগে নির্যাতিত ওই কিশোরীর পরিবার হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাল্টা মামলা করেছে।

অভিযোগকারী ও নির্যাতিত কিশোরীর বাবা তমিজ উদ্দিন জানান, বানিয়াচংয়ের ৭ নম্বর বড়ইউড়ি ইউনিয়নের বড়ইউড়ি গ্রামে তাঁর বাড়ি হলেও তিনি কর্মসূত্রে চট্টগ্রামে একটি গার্মেন্টে কাজ করেন। গত ৩১ জুলাই তাঁর বড় মেয়ে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যায়। গত ৩ আগস্ট রাতে উজ্জ্বল মিয়া, ইউপি সদস্য মহিত মিয়া ও রাদিক মিয়া ওই কিশোরীকে জনৈক রাসেল চৌধুরীর দিঘির পাড়ে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনার পরদিন ওই কিশোরীর চাচাকে বানিয়াচং থানায় মামলার জন্য চাপ দেন গ্রামের প্রভাবশালী সাবেক মেম্বার আবু ছালেক ও মোতাব্বির মিয়া। ওই মামলায় উজ্জ্বল মিয়াকে একমাত্র আসামি করা হয়। এ সময় ধর্ষণে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য মহিত মিয়া ও রাদিক মিয়াকে মামলার আসামি থেকে বাদ দেওয়া হয়। ওই সময় প্রভাবশালীদের চাপে পড়ে কিশোরীর চাচা মামলাটি করতে বাধ্য হন।

পরে কিশোরীর বাবা প্রকৃত আসামিদের নামে মামলা করতে গেলে বানিয়াচং থানা পুলিশ একই ঘটনায় ফের মামলা করা যাবে না বলে জানানো হয়। বাধ্য হয়ে তিনি গত ১৯ আগস্ট হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে মামলা করেন।

থানা ও আদালতের মামলায় আসামি মোট তিনজন। কিন্তু আসামিদের সবাই প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ কাউকেই ধরছে না বলেও অভিযোগ করে নির্যাতিত কিশোরীর পরিবার।

এ ব্যাপারে বানিয়াচং থানার ওসি রঞ্জন কুমার সামন্ত বলেন, মামলাটি যখন রেকর্ড করা হয় তখন আমি অন্য থানায় ছিলাম। এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা