kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

প্রধানমন্ত্রী বললেন

মানবকল্যাণে বীমা শিল্পের ব্যবহার চাই

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মানবকল্যাণে বীমা শিল্পকে ব্যবহার করার জন্য বীমা কম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রতারণা থেকে বীমা গ্রাহকদের রক্ষা করতে একটি ঐক্যবদ্ধ বার্তা প্রদান প্ল্যাটফর্ম চালু করতে হবে। বীমা কম্পানিগুলো মানবকল্যাণে এবং উৎপাদন ও ঝুঁকিমুক্ত অর্থনীতি গড়ে তুলতে তাদের বীমা কম্পানি ব্যবহার করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত বীমাসংক্রান্ত ১৫তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, তথ্যের অপ্রাপ্যতা বীমা গ্রাহকদের জন্য বড় সমস্যা। তিনি বলেন, বীমাশিল্পে গ্রাহকদের আস্থার অভাব রয়েছে। কারণ তারা যতগুলো বীমা কিস্তি জমা দিয়েছে, তার সব কটি কম্পানির প্রধান কার্যালয়ে আদৌ জমা হয়েছে কি না, সে ব্যাপারে অন্ধকারেই থেকে যায়। এ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে একটি ঐক্যবদ্ধ বার্তা প্রদান প্ল্যাটফর্ম চালুর প্রক্রিয়া চলছে।

মিউনিক রি ইনস্যুরেন্স ও মাইক্রোইনস্যুরেন্স নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে। ৪২টি দেশের চার শতাধিক বিশেষজ্ঞ ও প্রতিনিধি এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম ও বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট রেগুলেটরি অথরিটির চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটোয়ারী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। মিউনিক রি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান টমাস লোস্টার এবং মাইক্রোইনস্যুরেন্স নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান ডবল চেম্বারলিনও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। বিআইএর সভাপতি শেখ কবির হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এবং সংগঠনের সহসভাপতি রুবানা হামিদ স্বাগত বক্তৃতা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যদিও ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য আমরা কর্মসূচি হাতে নিয়েছি এবং আমরা বাংলাদেশের জন্য ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ প্রণয়ন করে তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। বাংলাদেশকে জলবায়ু ঝুঁকি থেকে মুক্ত করে মানুষের জীবনমান যাতে উন্নত হয় সেই লক্ষ্যকে সামনে নিয়েই আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আমাদের যারা স্বল্প আয়ের মানুষ, যারা এসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করে, তাদের আর্থিক ক্ষতি কিভাবে মেটানো যায় এবং তাদের জীবনকে কিভাবে নিরাপদ করা যায়।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা