kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ নভেম্বর ২০১৯। ২৭ কার্তিক ১৪২৬। ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

‘৪৬৬ জন বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার’

২০১৮ সালের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে অ্যামনেস্টি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৬ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশে মাদকবিরোধী অভিযানে গত বছর অন্তত ৪৬৬ জন ‘বিচারবহির্ভূত হত্যা’র শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে ব্রিটেনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। ‘ক্রসফায়ারে হত্যা : মাদকবিরোধী যুদ্ধের নামে বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে সন্দেহভাজনদের ‘গুম’ করা এবং নিহতদের বিরুদ্ধে ‘ভুয়া প্রমাণ তৈরির’ও অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত সোমবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে অ্যামনেস্টি অভিযোগ করেছে, কথিত বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যুর এসব ঘটনার তদন্ত করতে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযানের প্রথম ১০ দিনেই অন্তত ৫২ জন ‘বিচারবহির্ভূত হত্যার’ শিকার হয়। ২০১৮ সালে সারা দেশে নিহত হয় অন্তত ৪৬৬ জন, যা আগের বছরের তিন গুণেরও বেশি।

অ্যামনেস্টির দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক দিনুশিকা দিশানায়েক বলেন, ‘এই মাদকবিরোধী যুদ্ধে প্রতিদিন গড়ে অন্তত একজনের প্রাণ গেছে। কাউকে কাউকে বাড়ি থেকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে স্বজনরা মর্গে তাদের বুলেটবিদ্ধ লাশ পেয়েছে।’

অ্যামনেস্টি বলছে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাগুলোর যে বিবরণ দেয়, তার প্রায় সবই মোটামুটি এক। বলা হয়, সন্দেহভাজনরা প্রথমে গুলি চালালে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ‘আত্মরক্ষার্থে’ পাল্টা জবাব দেয়। আর গোলাগুলির মধ্যে সন্দেহভাজন নিহত হয়। 

এই অভিযানে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ঘুষ নেওয়া এবং ঘুষ দেওয়ার পরও হত্যা করার অভিযোগ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। পুলিশ ও র‌্যাবের বিরুদ্ধে ওঠা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পাশাপাশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ যাচাইয়ে দ্রুত, নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও কার্যকর তদন্ত শুরুর আহ্বান জানিয়েছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা