kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনার

বিমান উড্ডয়ন ও পরিচালনায় যত্নবান হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিমান উড্ডয়ন ও পরিচালনায় যত্নবান হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ বিমান ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের যৌথভাবে আয়োজিত ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনারে গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। ছবি : বাসস

বিমান উড্ডয়নকে একটি উচ্চতর কারিগরি পেশা হিসেবে আখ্যায়িত করে নিরাপদ উড্ডয়ন এবং এয়ারক্রাফটের রক্ষণাবেক্ষণে যত্নবান হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘জনগণের কষ্টার্জিত অর্থের বিনিময়ে সংগৃহীত এ মূল্যবান বিমানের নিরাপদ উড্ডয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে সবাইকে যত্নবান হতে হবে।’

গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে তিন দিনব্যাপী ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনারের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিমান উড্ডয়নে পেশাগত দক্ষতার গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ দক্ষতা একদিকে যেমন আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে, তেমনি সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্যও বয়ে আনে সুনাম ও মর্যাদা।’

তাঁর সরকারের এভিয়েশন সেক্টরের মানোন্নয়নে গৃহীত বিশেষ পদক্ষেপের ফলে এ অঞ্চলের বিমানবাহিনী এবং বেসামরিক বিমানের ফ্লাইট সেফটি রেকর্ড অত্যন্ত সন্তোষজনক বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার এভিয়েশন সেক্টরের মানোন্নয়নের জন্য বিশেষ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ফলে এ অঞ্চলে আমাদের বিমানবাহিনী ও বেসামরিক বিমানের ফ্লাইট সেফটি রেকর্ড অত্যন্ত সন্তোষজনক।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি আমাদের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (আইসিএও) ফ্লাইট সেফটি সমীক্ষায় ঈর্ষণীয় ৭৫ দশমিক ৪৬ ভাগ নম্বর অর্জন করেছে, যা এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।’

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস সম্প্রতি নিরাপদ উড্ডয়নের মানদণ্ডে পাঁচ তারকার আন্তর্জাতিক মান অর্জন করেছে এবং আন্তর্জাতিক এভিয়েশন সেফটি অ্যাসেসমেন্ট প্রগ্রামের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অথরিটির টেকনিক্যাল রিভিউয়ে ক্যাটাগরি-১ ঘোষণা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের যৌথ ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই সেমিনারের এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘টিম এফোর্ট ক্যান ইনশিউর টিম সেফটি।’

যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, চীন, মালয়েশিয়া, ভারত, তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, সৌদি আরব, মিসর, ওমান, মরক্কো, নাইজেরিয়া, জিম্বাবুয়ে এবং বাংলাদেশসহ চারটি মহাদেশের ১৬টি দেশের বিমানবাহিনীর সদস্য ও আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন অথরিটির (আইসিএও) প্রতিনিধিরা এবারের সেমিনারে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটির চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মুহাম্মদ মাফিদুর রহমান এবং ফ্লাইট সেফটি বিভাগের পরিচালক এয়ার কমোডর মোহাম্মাদ মোস্তাফিজুর রহমান বক্তব্য দেন। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী পরে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্যাভিলিয়ন ঘুরে দেখেন। সূত্র : বাসস।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা