kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নওগাঁ ও টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নওগাঁর পত্নীতলায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক ‘মাদক কারবারি’ নিহত হয়েছেন। কক্সবাজারের টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন আরেক যুবক। পুলিশের দাবি, ওই যুবক চিহ্নিত ডাকাত। দুটি ঘটনাই ঘটে গতকাল বুধবার ভোরে।

নওগাঁয় নিহত মেহেদী হাসান (৩০) বদলগাছী উপজেলার সাগরপুর গ্রামের গফুর ওরফে ভোলার ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি একজন মাদক কারবারি। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

নওগাঁর পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান মিয়া বিপিএম জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে মাদক বেচাকেনার খবর পেয়ে ডিবি পুলিশের একটি দল পত্নীতলার লোদিপুর খাড়ির ব্রিজ এলাকায় যায়। এ সময় চোরাকারবারিরা টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মেহেদী হাসান মারা যান। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করেছে।

এদিকে টেকনাফে নিহত মোহাম্মদ ছলিম (২৪) হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চাকমারকুল এলাকার কাদির হোসেনের ছেলে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, গত মঙ্গলবার রাতে পুলিশের একটি দল হোয়াইক্যং ইউনিয়নের চাকমারকুল এলাকার মোহাম্মদ ছলিম ওরফে ডাকাত ছলিমকে আটক করে। আটকের পর তাঁর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বুধবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার কেরুনতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় লুকিয়ে রাখা অস্ত্র ও মাদক উদ্ধারে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় সেখানে ওত পেতে থাকা ছলিমের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে ছলিমকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। পরে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালালে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে ছলিম গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশে তৈরি এলজি, ছয়টি কার্তুজ, সাতটি খালি খোসা এবং এক হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা করা হয়েছে।

[প্রতিবেদনটি তৈরিতে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন নওগাঁ ও টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা