kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

‘ক’ ইউনিটের ভুলে ভরা ফল প্রকাশের পর স্থগিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘ক’ ইউনিটের ভুলে ভরা ফল প্রকাশের পর স্থগিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটের ভতি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয় গতকাল রবিবার। তবে ফল প্রকাশের পর থেকেই নানা ভুলভ্রান্তি চোখে পড়ে। এরপর গতকাল রাত ৮টা ৩০ মিনিটে সেই ফল স্থগিত করতে বাধ্য হয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

স্থগিত হওয়া ফলাফলে দেখা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন অনিন্দ্য। ভর্তি পরীক্ষায় ৮১৭ মেধাস্থান অধিকার করেছেন তিনি। পরীক্ষায় পদার্থ বিজ্ঞানের এমসিকিউয়ের অংশে ১৪টি প্রশ্নের মধ্যে সঠিক উত্তর দিয়েছেন ১৩টির, রসায়ন অংশে ১৫টির মধ্যে ১৩টির ও গণিতে ১৫টির মধ্যে ৪টির। তবে তাঁর অভিযোগ, তিনি গণিত অংশে ১৩টি সঠিক উত্তর দিয়েছেন। শুধু অনিন্দ্য নয়, ফল প্রকাশের পর থেকে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী এমন অভিযোগ করেছেন।

ভর্তীচ্ছুদের অভিযোগ, ভর্তি পরীক্ষার চারটি অংশের মধ্যে গণিত অংশে সঠিক উত্তরকে ভুল হিসেবে গণনা করা হয়েছে। এতে বেশির ভাগ শিক্ষার্থী মেধাতালিকায় পিছিয়ে পড়েছেন। অনেকে আবার উত্তীর্ণই হতে পারেননি।

অভিযোগকারী এক শিক্ষার্থীর ফল ঘেঁটে দেখা যায়, পদার্থে ১৪টি প্রশ্নের মধ্যে ১৩টি, রসায়ন অংশে ১৩টির মধ্যে ১১টি, জীববিজ্ঞানে ৪টির মধ্যে ৪টিরই সঠিক উত্তর দিয়েছেন। অথচ গণিত অংশে ১২টির মধ্যে ১১টিই ভুল উত্তর তাঁর। ওই শিক্ষার্থীর দাবি, তিনি গণিতে ১টি মাত্র উত্তর ভুল দিয়েছেন। কিন্তু ফল প্রকাশের পর তার উল্টোটা দেখাচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়ক অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে অবগত হয়েছি। আমরা একটা স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশ করে থাকি। অভিযোগটি আমরা খতিয়ে দেখব। প্রমাণ পেলে সংশোধনের সুযোগ রয়েছে।’ 

গতকাল রবিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান এ ফল প্রকাশ করেন। এতে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ১৩.০৫ শতাংশ ও চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ২.৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বিবেচিত হন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘ক’ ইউনিটে এক হাজার ৭৯৫টি আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন ৮৫ হাজার ৮৭৯ জন। তাঁদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১১ হাজার ২০৭ জন। আর ‘চ’ ইউনিটে ১৩৫টি আসনের বিপরীতে ১৬ হাজার দুজন শিক্ষার্থী অংশ নেন। অঙ্কন পরীক্ষায় এক হাজার ২০২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ভর্তিযোগ্য বিবেচিত হন ৩৪৩ জন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা