kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

বাকৃবিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন

কৃষিকে বাঁচাতে জলবায়ু সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনের বিকল্প নেই

বাকৃবি প্রতিনিধি   

২০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বর্তমানে বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রভাব পড়েছে বিশ্বের কৃষি ব্যবস্থায়। আর হুমকিতে বাংলাদেশের নাম অনেকটাই ওপরে। তাই জলবায়ু পরিবর্তন ২০৫০ সালের মধ্যে দেশের কৃষিকে হুমকির মুখে ফেলবে। গতকাল শনিবার সকাল ১০টার দিকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলনকক্ষে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন সাস্টেইনেবল অ্যাগ্রিকালচার’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এসব কথা বলেন এসিআই অ্যাগ্রিবিজনেসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও ড. এফ এইচ আনসারী।

ড. এফ এইচ আনসারী আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের দক্ষিণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়েই চলেছে। এতে উজানের নদীর পানিতে বাড়ছে লবণাক্ততা, যা ফসলি জমিতেও ছড়িয়ে পড়ছে। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাড়ছে বৈশ্বিক তাপমাত্রা, কমছে বৃষ্টির পরিমাণ। তাই দেশের কৃষিকে বাঁচাতে হলে ‘জলবায়ুসহিষ্ণু কৃষি প্রযুক্তির’ বিকল্প নেই। উন্নত কৃষি গবেষণার মাধ্যমে জলবায়ুসহিষ্ণু বিভিন্ন শস্যের জাত উদ্ভাবন এবং তা মাঠ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেশের কৃষিকে বাঁচানো সম্ভব।

বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের পরিচালক ড এম এ এম ইয়াহিয়া খন্দকারের সভাপতিত্বে কনফারেন্সে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য সিনিয়র সচিব অধ্যাপক ড. শামসুল আলম। কনফারেন্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. লুত্ফুল হাসান। এ ছাড়াও বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক এবং অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসাইন ও এফএও প্রতিনিধি ড. নূর আহমেদ খন্দকার।

প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, ‘আমি মনে করি কৃষিবিদদের সেবা ও অবদান দেশের ডাক্তারের চেয়েও অনেক বেশি। তারা দেশের ১৬ কোটি মানুষের মুখে অন্নের নিশ্চয়তা দিয়ে যাচ্ছে সব সময়। আর তাই জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ভবিষ্যতে কৃষিতে আমাদের যে চ্যালেঞ্জ তা মোকাবেলায় সরকারি ও বেসরকারি সব কৃষি গবেষকদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা