kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

আন্তনগর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেন

চিলমারীর রমনা বাজার পর্যন্ত নেওয়ার দাবি

আবদুল কাদির, পার্বতীপুর (দিনাজপুর)   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আন্তনগর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেন চালু হওয়ায় কুড়িগ্রামের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অত্যন্ত আনন্দিত। এ ট্রেন চালুর মধ্য দিয়ে কুড়িগ্রামের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করছে। ট্রেনটিতে ভ্রমণরত বেশ কিছু যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। তবে ভ্রমণ সুবিধা বাড়াতে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রমনা বাজার থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর পর্যন্ত দ্রুত ডবল রেললাইন করে ট্রেনটি রমনা বাজার পর্যন্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছে তারা।

ট্রেনটি রমনা বাজার পর্যন্ত নেওয়া হলে চারটি উপজেলা ও চরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের কষ্ট কমবে। দ্রুত ও কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছা যাবে। সম্প্রতি চালু হওয়া ট্রেনটি কুড়িগ্রাম-রংপুর-পার্বতীপুর হয়ে ঢাকায় যাওয়া-আসা করে।

যাত্রী মোছা. শাহনাজ পারভীনের (২৮) বাড়ি কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা সদরে। তিনি চাকরি করেন পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে। গত বৃহস্পতিবার তিনি আন্তনগর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনে করে কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকা যাচ্ছিলেন। তাঁর ভ্রমণসঙ্গী বোন শেফালি ও রেখা। শাহনাজ পারভীনের সঙ্গে কথা হয় সকাল সোয়া ৯টায় পার্বতীপুর রেলস্টেশনে। সকাল ৭টা ২০ মিনিটে তাঁদের এ ট্রেন কুড়িগ্রাম ছেড়ে আসে। ঢাকায় পৌঁছাবে বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে। এসি বাথের ভাড়া নেওয়া হয়েছে এক হাজার ১৩৬ টাকা। শাহনাজ নতুন ট্রেন নিয়ে অনুভূতি জানাতে গিয়ে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের জন্য এটি একটি স্বপ্নের ট্রেন।’

কুড়িগ্রামের কাঁঠালবাড়ীর ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান ঢাকা যাচ্ছিলেন শোভন চেয়ারে। তাঁর নির্ধারিত সিটের ভাড়া ৫২৫ টাকা। সঙ্গে আছেন স্ত্রী শেফালী খাতুন। লুৎফর রহমান বলেন, আন্তনগর কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেন চালু হওয়ায় কুড়িগ্রামের উন্নয়নে বড় ধরনের অগ্রগতি ঘটবে।

কুড়িগ্রাম জেলার মানুষের পরিচিত মুখ, সরকারি কৌঁসুলি আব্রাহাম লিংকন জানান, চিলমারী, রৌমারী, রাজীবপুর ও উলিপুরের ভ্রমণ সুবিধা বাড়ানোর জন্য ট্রেনটি দ্রুত রমনা বাজার পর্যন্ত নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেনে মালপত্র পরিবহনের সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি মালবাহী ওয়াগান ও মাছ পরিবহনের জন্য ফ্রিজিংসংবলিত ওয়াগন যুক্ত করতে রেল কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানান। এ ছাড়া ভ্রমণ সুবিধা বাড়াতে রমনা বাজার থেকে পার্বতীপুর পর্যন্ত দ্রুত ডবল রেললাইন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান এই আইনজীবী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা