kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৫ রবিউস সানি          

গাড়ির নিবন্ধন জালিয়াতি

মুসা বিন শমসেরের নামে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জালিয়াতি করে গাড়ি নিবন্ধনের অভিযোগে বিতর্কিত ব্যবসায়ী মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ঢাকা-১ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন বাদী হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার মামলাটি করেন।

এ ব্যাপারে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, মুসা বিন শমসের ছাড়াও আরো চারজনকে এই জালিয়াতির মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন মুসা বিন শমসেরের শ্যালক মো. ফারুক-উজ-জামান, বিআরটিএ ভোলা জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক মো. আইয়ুব আনছারী (বর্তমানে ঝালকাঠিতে কর্মরত), গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান অটো ডিফাইন ও ফিয়াজ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. ওয়াহিদুর রহমান, কারনেট সুবিধায় গাড়ি আনা ব্রিটিশ পাসপোর্টধারী ফরিদ নাবির।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আন্তর্জাতিক সনদ অনুযায়ী যে সুবিধায় পর্যটকরা এক দেশ থেকে অন্য দেশে শুল্ক না দিয়েই গাড়ি নিয়ে ঢুকতে পারে, তাকে ‘কারনেট ডি প্যাসেজ’ বলা হয়। নির্দিষ্ট একটি সময়ের (সাধারণত কয়েক মাস) জন্য এই সুবিধা পায় পর্যটকরা। এই গাড়ি বিক্রি কিংবা হস্তান্তর করা যায় না। কিন্তু ‘কারনেট ডি প্যাসেজ’ সুবিধায় আনা একটি রেঞ্জ রোভার জিপ গাড়ি ২০১৭ সালে ঢাকায় মুসা বিন শমসেরের ছেলের শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার করেন শুল্ক গোয়েন্দারা। ওই গাড়ি মুসার শ্যালক ফারুক উজ-জামানের নামে ভোলায় জালিয়াতি করে নিবন্ধিত।

গাড়িটি উদ্ধারের পর শুল্ক গোয়েন্দারা জানিয়েছিলেন, ভোলা বিআরটিএর কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজশে ভুয়া কাগজ দিয়ে ওই গাড়ি নিবন্ধন এবং বেনামে অবৈধ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।

গাড়িটি জব্দের পর মুসাকে কাকরাইলে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কার্যালয়ে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। শুল্ক গোয়েন্দারা বলেছিলেন, মুসা বিন শমসের ১৭ লাখ টাকা শুল্ক পরিশোধ দেখিয়ে ভুয়া বিল অব এন্ট্রি প্রদর্শন করে গাড়িটি বেনামে রেজিস্ট্রেশন করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা