kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ । ১ অক্টোবর ২০২০। ১৩ সফর ১৪৪২

আলোচনাসভায় বক্তারা

রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান না হলে সন্ত্রাসবাদ বাড়বে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত ‘রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : সরকার, নাগরিক সমাজ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনাসভায় বক্তারা বলেছেন, রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান না হলে সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি বাড়বে। বাংলাদেশে অবস্থানকারী রোহিঙ্গারা অদূর ভবিষ্যতে জঙ্গি মৌলবাদী সন্ত্রাসের অন্যতম হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। রোহিঙ্গাদের দারিদ্র্য, ক্ষোভ ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে জামায়াতিরা তাদের ভেতর জঙ্গি প্রচারণা চালাচ্ছে। বিভিন্ন এনজিও অপ্রচার চালাচ্ছে। এসবের বিরুদ্ধে সরকারের সচেতন হওয়া যেমন জরুরি, তেমনি জরুরি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন। গতকাল বৃহস্পতিবার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সেমিনার কক্ষে এ আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ অধিবেশনে গুরুত্বের সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যু তুলে ধরেছেন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন—এই সমস্যা শুধু  বাংলাদেশের একার নয়। এই অঞ্চলে নিরাপত্তার জন্য রোহিঙ্গা সমস্যা একটি হুমকি। দীর্ঘ সময় ধরে তারা এ দেশে অবস্থান করলে এ দেশে সামাজিক অর্থনৈতিক সমস্যা জটিল হয়ে উঠতে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তা বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন।

অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্যে লেখক, সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির বলেন, সরকার মানবতার কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলেও এখন তারা টাকা-পয়সা খরচ করে দেশে নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টা করছে। দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। ১২৫টা এনজিওর বিরুদ্ধে মৌলবাদী তৎপরতা উসকে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব এনজি সবাই জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন কৌশলে জিহাদি তৎপরতায় উদ্বুদ্ধ করছে। তারা জিহাদি তৎপরতায় উদ্বুদ্ধ করে বিভিন্ন দেশে জঙ্গি প্রশিক্ষণে পাঠাচ্ছে। এ দেশে আশ্রয় নেওয়ার পর অনেক রোহিঙ্গা এখন অস্ত্রপাচার ও নারীপাচারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা