kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

ঐক্যফ্রন্টকে তথ্যমন্ত্রী

সমাধান হওয়া ইস্যুতে মাঠে নেমে হালে পানি পাবেন না

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যাকাণ্ড নিয়ে ঐক্যফ্রন্ট পানি ঘোলা করার চেষ্টা করছে। কিন্ত তাদের প্রতিবাদ এই হত্যার জন্য নয়, বরং নিজেদের রাজনীতি করার স্বার্থে। যেকোনো ইস্যু নিয়ে তাদের ঐক্যটা ধরে রাখার চেষ্টা করছে। ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে প্রচণ্ড অনৈক্য। এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে তারা একটু ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছিল।

গতকাল বৃহস্পতিবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের কেবল নেটওয়ার্ককে ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনার লক্ষ্যে আয়োজিত সভার শুরুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তথ্যসচিব আবদুল মালেক ও অতিরিক্ত সচিব নূরুল করিম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ঐক্যফ্রন্টের কোনো একটা ইস্যু প্রয়োজন। তারা কোনো ইস্যু খুঁজে পাচ্ছে না। ঐক্যফ্রন্টকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আবরার হত্যাকাণ্ডের পর সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছে তাতে সন্তুষ্ট হয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করেছে। যে ইস্যুর সমাধান হয়ে গেছে তা নিয়ে মাঠে নেমে হালে পানি পাবেন না।

ডিজিটাল হবে কেবল নেটওয়ার্ক : তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশ ডিজিটাল হয়ে গেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন স্বপ্ন নয়, বাস্তবতা। কিন্তু কেবল নেটওয়ার্ক এখনো ডিজিটাল হয়নি। কেবল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল না হওয়ায় সঠিকভাবে সম্প্রচার হয় না। একই সঙ্গে সরকার অনেক রাজস্ব হারাচ্ছে। তিনি বলেন, কেবল নেটওয়ার্ককে অবশ্যই ডিজিটাল করতে হবে। কেবল নেটওয়ার্ক যাঁরা পরিচালনা করেন তাঁরা একটি সময়সীমার মধ্যে পুরো নেটওয়ার্ককে ডিজিটাল করার সব ব্যবস্থা নেবেন।

বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণে প্রাধান্য, দেশের শিল্পী টিভিকে প্রাধান্য : বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণ ও প্রচারে দেশের শিল্পী ও টিভিকে প্রাধান্য দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘দেশে এখন ৩৩টি টেলিভিশন চ্যানেল সম্প্রচারে রয়েছে। আর লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে ৪৫টিকে। বাংলাদেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে সম্প্রচার করা হচ্ছিল; বিদেশি বিজ্ঞাপন তো আছেই। অথচ আইন অনুযায়ী কোনো ধরনের বিজ্ঞাপনই বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রদর্শিত হতে পারে না। আমরা নির্দেশনা জারি করার পর, বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন সম্প্রচার বন্ধ হয়েছে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সব অবৈধ ডিটিএইচ সংযোগ সরিয়ে নিতে এরই মধ্যে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। যাঁরা এগুলো লাগিয়েছেন এবং যাঁরা ব্যবহার করছেন তাঁদের উভয়ের ওপরই এই দায়িত্ব বর্তায়। এরপর কোথাও এই অবৈধ সংযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা