kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ পরিদর্শনে ডিএসসিএসসি প্রশিক্ষণার্থীরা

♦ গণমাধ্যমের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার আশাবাদ
♦ ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের ভূয়সী প্রশংসা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ পরিদর্শনে ডিএসসিএসসি প্রশিক্ষণার্থীরা

ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের (ডিএসসিএসসি) কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণার্থীরা গতকাল দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড (ইডাব্লিউএমজিএল) পরিদর্শন করেন । ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপের ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড (ইডাব্লিউএমজিএল) পরিদর্শন করলেন ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজের (ডিএসসিএসসি) প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থীরা। প্রতিষ্ঠানটির কোর্স ২০১৯-২০-এর অংশ হিসেবে প্রায় ২৭০ জন প্রতিনিধি গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া হাউস ঘুরে দেখেন।

দুপুর সাড়ে ১২টায় ডিএসসিএসসির প্রধান প্রশিক্ষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম কামরুল হাসানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি ইডাব্লিউএমজিএল প্রাঙ্গণে আসে। তাদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা ও শুভেচ্ছা স্মারক বিনিময় করা হয়। পরে মিডিয়া হাউসের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালের কণ্ঠ’র সম্পাদক ও ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পরিচালক ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, কালের কণ্ঠ’র ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মোস্তফা কামাল, ডেইলি সানের সম্পাদক এনামুল হক চৌধুরী ও কনসালটিং এডিটর নাদিম কাদির, বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক জুয়েল মাজহার, রেডিও ক্যাপিটালের নির্বাহী পরিচালক হাসনাইন খুরশেদ, নিউজটোয়েন্টিফোরের হেড অব কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স সামিয়া রহমান ও হেড অব নিউজ রাহুল রাহা প্রমুখ।

উল্লেখ্য, সাত বছর ধরে কোর্স কারিকুলামের অংশ হিসেবে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ পরিদর্শনে আসেন ডিএসসিএসসি কোর্সে অংশগ্রহণকারীরা। এবারের পরিদর্শনে ৩৭ জন প্রশিক্ষক ও ১৫৮ জন প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন। ইডাব্লিউএমজিএল প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা পর্ব শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের পক্ষ থেকে ‘ভোট অব থ্যাংকস’ উপস্থাপন করেন মেজর রেজা নুর। এ ছাড়া প্রশিক্ষণার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয় ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের সম্পাদক প্যানেল।

ডিএসসিএসসির প্রধান প্রশিক্ষক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম কামরুল হাসান বলেন, ‘প্রশিক্ষণের কারিকুলাম অনুযায়ী আমরা দেশের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া পরিদর্শনে আসি, এর মাধ্যমে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় হয়। গণমাধ্যম দেশের চতুর্থ স্তম্ভ, যা দেশ ও গণতন্ত্রের সুরক্ষায় বড় ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে গণমাধ্যমের সঙ্গে সামরিক বাহিনীর সম্পর্ক অনেক জোরদার হয়েছে, আরো কিভাবে উন্নত করা যায় সেটা ভাবা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের গণমাধ্যম এখন খুবই ভাইব্রান্ট, তারা খুব ভালো ভুমিকা পালন করছে। ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ অন্য গণমাধ্যমের চেয়ে আলাদা। এই গ্রুপের পত্রিকা নীতি-নৈতিকতা পরিপালনের মাধ্যমে শীর্ষ অবস্থানে উঠে এসেছে। এথিকস মেনে না চললে কোনো পত্রিকা পাঠকপ্রিয়তা পেতে পারে না।’ আগামী দিনে মিলিটারি বাহিনীর সঙ্গে গণমাধ্যমের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

দেশের গণমাধ্যমের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপের ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড (ইডাব্লিউএমজিএল) বাংলাদেশের শীর্ষ মিডিয়া গ্রুপ, যার নেতৃত্বে রয়েছে ছয়টি গণমাধ্যম। এর মধ্যে তিনটি দৈনিক, একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, একটি টেলিভিশন ও একটি রেডিও রয়েছে। আরো একটি টেলিভিশন আসার অপেক্ষায়।’

তিনি বলেন, দেশের জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোর মধ্যে এই গ্রুপের পত্রিকা সর্বাধিক প্রচারিত। বিশ্বব্যাপী সংবাদপত্র চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। ইন্টারনেটে গ্রাহকসংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এই চ্যালেঞ্জকে বাড়িয়ে দিয়েছে। সব কিছু মোকাবেলা করেই ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে চলছে। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।’

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই যুগে যখন কোনো মিথ্যা তথ্য বা গুজব মুহূর্তেই ছড়িয়ে যায়, সেখানে মানুষ মূলধারার মিডিয়াগুলোতে আস্থা রাখে। তথ্যের জন্য আমাদের প্ল্যাটফর্মগুলোতে আসে। সেই জায়গা থেকে আমরা সর্বশেষ সঠিক তথ্য দ্রুততার সঙ্গে উপস্থাপনের কাজ করি।’

সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে নঈম নিজাম বলেন, ‘দেশের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই আন্তরিক। জাতিসংঘ শান্তি মিশনে আমাদের বাহিনীর সদস্যদের সফলতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আমরা নিয়মিত সংবাদ পরিবেশন করে থাকি। এই সম্পর্ক আরো দৃঢ় করতে হবে। এর জন্য আন্তঃবাহিনী গণসংযোগ পরিদপ্তরকে (আইএসপিআর) আরো জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা