kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

মুকসুদপুরে আ. লীগের সম্মেলন নিয়ে বিরোধ

হাত-পা বেঁধে নদীতে ফেলে হত্যা

মুকসুদপুর ও গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এই সংঘর্ষের জেরে শাহ আলম (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে কুমার নদে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মুকসুদপুর উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের উত্তর গঙ্গারামপুর গ্রামে ওই দিন রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। শাহ আলম ওই গ্রামের মৃত আবদুল খালেক শেখের ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার গোহালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনের প্রস্তুতিসভায় সম্ভাব্য সভাপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে সিন্দিয়াঘাট বাজারে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান লিটন বয়াতির অনুসারী ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলামের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। ওই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের মহিলাসহ

১০ জন আহত হন। আহতদের মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ওই দিন দুপুরে শাহ আলম রাজৈর হাসপাতালে আহত চাচাতো বোন মিনাকে দেখতে যান। এরপর বাড়ি ফেরার পথে কে বা কারা তাঁকে তুলে নিয়ে যায়। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁকে আর পাওয়া যায়নি।

শেষে সন্ধ্যা ৭টার দিকে এলাকাবাসী তাঁকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় কুমার নদের তীরে পড়ে থাকতে দেখে। ওই অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে রাত ৮টার দিকে রাজৈর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. প্রদীপ চন্দ্র মণ্ডল জানান, আগেই সে মারা গেছে। 

চাচাতো বোন মিনা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রতিপক্ষরা আমার ভাইকে হাত-পা বেঁধে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিয়েছে।’  

সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আবুল বাসার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, লাশের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

মুকসুদপুর থানার ওসি মোস্তফা কামাল পাশা জানান, এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা