kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

৩ সহোদরকে ছুরিকাঘাত চাচাতো ভাইয়ের

উত্তরখানে কিশোর নিহত, আইসিইউয়ে অন্য দুই ভাই

পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর উত্তরখানের বালুর মাঠ এলাকায় তিন সহোদর ভাইকে ছুরিকাঘাত করেছে তাদেরই চাচাতো ভাই। এ ঘটনায় রিয়াদ হোসেন সাগর (১৫) নামে এক ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। শামীম (২৪) ও রিজন (১৮) নামে নিহতের বড় দুই ভাই আহত হয়েছেন। তাঁরা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। গতকাল মঙ্গলবার সকালের এই ঘটনা বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, হতাহতদের চাচাতো ভাই আসাদুজ্জামান স্বপন আর্থিক লেনদেনসহ পারিবারিক ও স্থানীয় বিরোধের জের ধরে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন।

হতাহতদের মামা মোমেন হোসেন জানান, উত্তরখানের তালতলার মিয়াবাড়ী মধ্যপাড়ার রাজু মিয়ার তিন ছেলের মধ্যে রিয়াদ ছিল সবার ছোট। সে স্থানীয় আনোয়ারা মডেল ট্রাস্ট স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র ছিল। তার মেজো ভাই রিজন হোসেন চালাবন এলাকার মাইলস্টোন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। আর শামীম তাদের বাবা রাজু মিয়ার সঙ্গে ব্যবসা দেখাশোনা করেন। চাচাতো ভাই স্বপনের সঙ্গে শামীমের কয়েক বন্ধুর দ্বন্দ্ব চলছিল। গত সোমবার রাতে স্বপন ও শামীমের মধ্যে এ নিয়ে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে স্বপন শামীমকে ছুরিকাঘাত করেন। পরে রিয়াদ ও রিজন এগিয়ে গেলে তাঁদেরও ছুরিকাঘাত করা হয়। তিন চাচাতো ভাইকে ছুরিকাঘাতের সময়ে স্বপন নিজেও আহত হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে টঙ্গী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতে রিয়াদের অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সকাল ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। মোমেন হোসেন বলেন, শামীম ও রিজনের অবস্থাও সংকটাপন্ন। তাঁদের আইসিইউতে রাখা হয়েছে।

হতাহতদের খালাতো ভাই রিপন হোসেন অভিযোগ করেন, গত সোমবার রাতেই অভিযুক্ত স্বপনকে উত্তরখান থানার এসআই ইশতিয়াক আটক করলেও রাতেই আবার ছেড়ে দেওয়া হয়।

থানার ওসি হেলাল উদ্দিন জানান, স্বপনের বাবার কাছে রিয়াদের বাবা ১০ লাখ টাকা পান। তাঁদের মধ্যে আরো বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। এসব বিষয় নিয়ে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। অভিযুক্ত স্বপনকে এসআই ইশতিয়াক ধরেও ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করলে ওসি এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা