kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

বসুন্ধরা সিটিতে আগুন নেভানো ও প্রতিরোধে মহড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বসুন্ধরা সিটিতে আগুন নেভানো ও প্রতিরোধে মহড়া

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটিতে গতকাল অগ্নিনির্বাপণ ও প্রতিরোধে মহড়া চালানো হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির অষ্টম তলার দ্য ফুড হলের পাশটা হঠাৎ করে ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে সিটির ফায়ার কর্মীরা আগুন নেভাতে হোস পাইপ বা রিল, ফায়ার বল, বালতি, নিরাপত্তা বেল্ট, রাসায়নিক পাউডার, কার্বন ডাই-অক্সাইড (তিন থেকে পাঁচ কেজির সিলিন্ডার), চশমা, হেলমেট নিয়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দেন। বাজতে থাকে সাইরেন (সতর্কধ্বনি), ধোঁয়ার অ্যালার্ম। ধোঁয়া থেকে বাঁচতে অক্সিজেন মাস্কসহ কম্বল নিয়ে ছোটেন কেউ কেউ। কয়েক মিনিটের মধ্যে চলে আসেন তেজগাঁও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। বহুতল ভবনে ওঠার ট্রানটেবল লেটার (টিটিএল) দিয়ে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। পানি ছিটানো শুরু করে ফায়ারের গাড়ি। পাশের হাসপাতাল থেকে চলে আসে অ্যাম্বুল্যান্সও। নিচতলায় বসুন্ধরা সিটির কর্মীরা প্রস্তুত হুইলচেয়ার আর জীবন বাঁচানোর নানা সরঞ্জাম নিয়ে।

অবশেষে সকাল ১১টায় লাগা আগুন ১০ মিনিটের মাথায় সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিভিয়ে ফেলেন ফায়ার সার্ভিস ও বসুন্ধরা সিটির ফায়ার কর্মীরা। গতকাল মঙ্গলবার বসুন্ধরা সিটিতে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা যায়। সেখানে আগুনের ঝুঁকি এড়াতে অগ্নিনির্বাপণ ও প্রতিরোধে এই মহড়া চালানো হয়। অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধের পদক্ষেপ হিসেবে ও আকস্মিক দুর্ঘটনা মোকাবেলায় বাস্তব প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

মহড়ায় বসুন্ধরা সিটি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের (বিসিডিএল) ফায়ার অ্যান্ড সেফটি, বিদ্যুৎ, যান্ত্রিক, সিভিল, কেয়ার অ্যান্ড ক্লিন বিভাগের নির্বাচিত কর্মী, বসুন্ধরা গ্রুপের বিভিন্ন ইউনিটের ফায়ার বিভাগের প্রতিনিধি ও সদস্যরা অংশ নেন। এতে নেতৃত্ব দেন বসুন্ধরা সিটির মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন, মানবসম্পদ ও নিরাপত্তা) মেজর (অব.) মোল্লা মুশতাক রেজা। তত্ত্বাবধানে ছিলেন ফায়ার অ্যান্ড সেফটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর কবির।

মহড়ার বিষয়ে মোল্লা মুশতাক রেজা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কয়েক বছর আগে লাগা আগুন থেকে শিক্ষা নিয়ে তা চিহ্নিত করে কাজ করছি আমরা। আমাদের ৩৩ জন ফায়ার কর্মী সব সময় সজাগ থাকছে।’

ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার ফরমানুল রহমান বলেন, ‘এ ধরনের মহড়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে ফায়ার সার্ভিস এবং প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ফায়ার কর্মীদের সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে ক্ষতি কমানো এবং দোকানিদের সচেতনতা বাড়ানো।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা