kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

বিশ্বখ্যাত কবি হাফিজ স্মরণে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বিশ্বখ্যাত কবি হাফিজ স্মরণে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

বিশ্বখ্যাত ইরানি কবি হাফিজ শিরাজির স্মরণে গতকাল সোমবার বিকেলে ঢাকার ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র মিলনায়তনে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। এতে হাফিজের কবিতা পাঠ, গজল পরিবেশন করেন শিল্পীরা।

এর আগে হাফিজ স্মরণে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত মুহাম্মাদ রেজা নাফার, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সংগীত পরিচালক শিল্পী আজাদ রহমান, প্রধান আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ইরানি ভিজিটিং প্রফেসর ড. কাযেম কাহদুয়ি। আলোচনা শেষে গজলশিল্পীদের সঙ্গে সুরের মূর্ছনায় মঞ্চ মাতান বিশিষ্ট বংশীবাদক আরিফুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীর পাশাপাশি সাহিত্য ও সংগীত অনুরাগীরা উপস্থিত ছিলেন।

মুহাম্মাদ রেজা নাফার বলেন, হাফিজ প্রায় ৭০০ বছর আগে ভারতবর্ষে মিষ্টি পাঠিয়েছিলেন। সেই সম্পর্ক আজও রয়েছে। সে কারণেই কবি হাফিজের স্মরণে ইরান ও বাংলাদেশ মানুষ একত্র হয়েছে। বাংলার ব্যাপারে কবি হাফিজের বিশেষ ভালোবাসা ছিল। সেই ভালোবাসা থেকেই তিনি মিষ্টি পাঠিয়েছিলেন। বাংলাদেশের অনেক মানুষের সঙ্গে ফারসি সম্পর্ক রয়েছে, তাঁরা হৃদয়ে ফারসি ভাষাকে সংরক্ষণ করে চলেছেন। আর সে কারণেই বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী ফারসি ভাষায় শিক্ষা লাভ করছেন।

ড. কাযেম কাহদুয়ি বলেন, ‘আমরা ফারসিভাষীরা গর্ববোধ করি যে হাফিজ, সাদী, রুমির মতো মহাকবিরা ফারসি ভাষায় সাহিত্য রচনা করেছেন। আমরা তাঁদের কবিতার রস আস্বাদন করতে পারি। হাফিজ এমন একজন কবি ছিলেন, যিনি তাঁর কবিতায় বারবার কোরআনকে ব্যবহার করেছেন। যে গুপ্তধন তিনি ব্যবহার করেছেন, তাহলো রাত বা ভোরের সময়ে দোয়া করা। এ জন্য হাফিজকে জানতে কোরআন, হাদিস ও ইরানের পৌরাণিক কাহিনি সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা থাকতে হবে।’

ঢাকা ও চট্টগ্রামে শুরু হলো সায়েন্স ফিল্ম ফেস্টিভাল

রাজধানীতে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী সায়েন্স ফিল্ম ফেস্টিভাল। গ্যেটে ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের উদ্যোগে ঢাকার বেশ কয়েকটি স্কুল অংশ নিয়েছে এ উৎসবে। এতে অংশ নেওয়া স্কুলগুলো হচ্ছে সাউথ পয়েন্ট স্কুল ও কলেজ, অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, মেপললিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং চট্টগ্রামের মাস্টারমাইন্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অংশগ্রহণে দেশে প্রথমবারের মতো বিজ্ঞানবিষয়ক ফিল্ম স্ক্রিনিংয়ের মাসব্যাপী উৎসব শুরু হয়েছে। সায়েন্স ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০১৯ ঢাকা এবং চট্টগ্রামে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

‘সায়েন্স ফিল্ম ফেস্টিভাল ২০১৯’ শিরোনামে জমকালো এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গত শনিবার ধানমণ্ডির মেপললিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের নবাব আলী খান মিলনায়তনে পর্দা উঠে মাসব্যাপী এ বিজ্ঞানভিত্তিক চলচ্চিত্র উৎসবের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন বুর্কহার্ড ডুকোফ্রে, ইউল্যাব বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট বিভাগের পরিচালক ডা. গামিয়া সেলিম। স্বাগত বক্তব্য দেন গ্যেটে ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের পরিচালক ড. কিরস্টেন হাকেনব্রোক।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা