kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রস্তুত বিনিয়োগ আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রস্তুত বিনিয়োগ আহ্বান

রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে গতকাল ‘পাওয়ারপ্যাক ইকোনমিক জোন প্রাইভেট লি.’-এর ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। ছবি : কালের কণ্ঠ

বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল। বাগেরহাট জেলার মোংলা সমুদ্রবন্দরের কাছে ২০৫ একর জমিতে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হয়েছে। এরই মধ্যে ৪৪ শতাংশ প্লট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট প্লটগুলোতে শিল্প স্থাপনের জন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আহ্বান করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত ‘পাওয়ারপ্যাক ইকোনমিক জোন প্রাইভেট লি.’-এর ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন’ অনুষ্ঠানে এই আহ্বান জানানো হয়।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিতে (পিপিপি) সিকদার গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান পাওয়ারপ্যাক ইকোনমিক জোন প্রাইভেট লি. এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটির উন্নয়ন করেছে। এটিই পিপিপিতে স্থাপিত প্রথম অর্থনৈতিক অঞ্চল।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই প্রকল্পে এরই মধ্যে সড়ক, সেতু, পানি সরবরাহ, বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র, প্রশাসনিক ভবন ইত্যাদি নির্মিত হয়েছে। এখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র, অগ্নিনির্বাপণ কেন্দ্র, বর্জ্য শোধনাগার, নদীতে দুটি জেটি, ট্যাংক টার্মিনালসহ শিল্প স্থাপনের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে। এখানে প্রায় ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ। বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বেজার নির্বাহী সদস্য মো. আইউব। পাওয়ারপ্যাকের পরিচালক সালাহউদ্দিন অর্থনৈতিক অঞ্চলটির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পাওয়ারপ্যাক ইকোনমিক জোন প্রাইভেট লি.-র ব্যবস্থাপনা পরিচালক রন হক সিকদার অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ইউনিলিভার, খুলনা পাওয়ার প্লান্ট, ন্যাশনাল ব্যাংক, সিকদার ইনস্যুরেন্সসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের হাতে প্লট বরাদ্দের কাগজ হস্তান্তর করা হয়। নির্মাণ শুরুর প্রায় সাড়ে তিন বছর পর প্লট হস্তান্তর করা হলো।

সালমান এফ রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু ক্ষুদ্র শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য বিসিক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আর শেখ হাসিনা বড় শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করলেন। তিনি যখন ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কথা বলেন তখন অনেকেই তা বিশ্বাস করেনি। আর এখন এরই মধ্যে ২৮টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপিত হয়ে গেছে। এই অঞ্চলগুলো উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা