kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

শিশু সংলাপে আইনমন্ত্রী

আবরার হত্যা মামলার বিচারে অগ্রাধিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার যতটুকু অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পন্ন করা উচিত ততটুকুই দেবে সরকার। এ রকম ঘটনা যাতে আর না ঘটে সে রকম বিচারিক ব্যবস্থা নেবে সরকার।’ তিনি বলেছেন, ‘আবরারের ভাই ঢাকা কলেজে পড়তে অনিরাপদ মনে করলে আমরা তাকে নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত। নিরাপত্তা দিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব সময় তার পাশে থাকবে। আমার মনে হয়, এত বড় আঘাতের কারণে হয়তো এখনই সে ঢাকায় আসতে মানসিকভাবে প্রস্তুত নয়।’

জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের ৩০ বছর পূর্তি ও শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০১৯ উপলক্ষে আয়োজিত শিশু সংলাপ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ‘আজকের শিশু আনবে আলো, বিশ্বটাকে রাখবে ভালো’ স্লোগানকে সামনে রেখে গতকাল রবিবার শিশু একাডেমি মিলনায়তনে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। চাইল্ড পার্লামেন্টের স্পিকার মারিয়াম আক্তার জিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুন নাহার ও সেভ দ্য চিলড্রেনের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা শিশু প্রতিনিধিদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন আইনমন্ত্রী।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘একজনকে এক সেকেন্ডেই খুন করা যায়। কিন্তু তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় সাজা দিতে সময় লাগে। অল্প সময়ে আইনি সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রাজন হত্যা মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে। সুরাইয়া আক্তার রিশা হত্যা মামলারও রায় হয়ে গেছে। আগামী ২৪ অক্টোবর নুসরাত হত্যা মামলার রায় হবে। কিছুদিনের মধ্যেই হাজী রমিজ উদ্দিন স্কুলের দুই শিক্ষার্থীকে বাসচাপায় হত্যা মামলার রায় হবে। এ ধরনের অপরাধগুলোকে সরকার অগ্রাধিকার দিয়ে বিচার করছে।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বহুদিন আগে বুয়েটে একজন শিক্ষার্থীকে হত্যা করা হয়েছিল। তার বিচার আজ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি। সেটার দাবিও আপনারা তোলেন। সরকার সে বিচারও করবে।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘শিশুরাই উন্নয়নের চাবিকাঠি, শিশুরাই জাতি গঠনের মূল ভিত্তি। শিশুদের জীবনে ভালো একটি শুরু তাদের পরিণত বয়সে সমৃদ্ধি বয়ে আনে; যার প্রভাব পড়ে পুরো জাতির ওপর। অর্থাৎ শিশুদের সমতা এবং বৈষম্যহীন পরিবেশে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর নির্ভর করছে আমাদের সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর সাড়ে তিন বছরের সরকারে শিশুদের অধিকার, কল্যাণ, উন্নয়ন ও নিরাপত্তার বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। সংবিধান, জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ এবং শিশু আইন অনুযায়ী শিশুদের কল্যাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা