kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ০৫ ডিসেম্বর ২০১৯। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৭ রবিউস সানি ১৪৪১     

এনবিআর কর্মকর্তাদের অর্থমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

লক্ষ্যমাত্রা পূরণে কোনো ছাড় নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চলতি অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতেই হবে—এমন হুঁশিয়ারি দিয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, এ ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই। এর সঙ্গে গেল অর্থবছরের ঘাটতি রাজস্বও আদায় করতে হবে। এ বিষয়েও কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে পরিকল্পনা করে কাজ করতে হবে।

গতকাল রবিবার বিকেলে সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কার্যালয়ে সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।

রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে দিকনির্দেশনা দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এনবিআর কর্মকর্তাদের করদাতাদের বাড়ি বাড়ি যেতে হবে। নতুন করদাতা খুঁজে বের করতে হবে। রিটার্ন জমার সংখ্যা বাড়াতে হবে। তিনি আরো বলেন, ‘এনবিআর চেয়ারম্যান বলেছেন, যে দেশে করদাতার সংখ্যা চার কোটিতে উন্নীত করা সম্ভব। তাহলে রিটার্ন জমার পরিমাণ কেন ২২ লাখ হবে?’

অর্থমন্ত্রী জানান, এনবিআরের জনবল সংকট নিরসনে কাজ চলছে। নতুন জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। গ্রোথ সেন্টারে রাজস্ব দপ্তর স্থাপন করা হবে। প্রয়োজনে একাধিক রাজস্ব দপ্তর হবে।

এনবিআর কর্মকর্তাদের কাজের প্রশংসাও করেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এনবিআর কর্মকর্তারা আগের চেয়ে ভালো কাজ করছেন। তবে কাজ আরো বাড়াতে হবে। বাজেটে যেভাবে লেখা আছে, ঠিক সেভাবে কাজ করতে হবে। বছরের মধ্যে যখন তখন এসআরও জারি করে কর অব্যাহতি দেওয়া যাবে না। আজকে কেন আদায় কম হয়েছে, তা জানালেন। ভবিষ্যতে কেন ঘাটতি হয়েছে, কত ঘাটতি হয়েছে এসব কথা শুনব না। লক্ষ্যমাত্রা পূরণের কথা বলবেন।’

এনবিআর কর্মকর্তাদের কাছে অর্থমন্ত্রী জানতে চান, ‘আপনাদের বেতন থেকে কেটে না রাখলে আপনারা কর দিতেন?’ তিনি বলেন, ‘রাজস্ব আদায় না করলে আপনাদের বেতন হবে না। একইভাবে রাজস্ব আদায় না হলে অন্যদের বেতনও হবে না। উন্নয়ন হবে না। রাজস্ব আদায়ে আমাদের একমাত্র জায়গা এনবিআর। তাই মনোযোগ দিয়ে আদায় বাড়াতে হবে।’ বৈঠকে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘কর্মকর্তাদের নরম গরম কথা বলি। যাঁদের পদোন্নতি পাওনা তাঁদের পদোন্নতি দিয়েছি। কাজে গাফিলতি দেখলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

রাজস্ব ঘাটতির কারণ উল্লেখ করে এনবিআর কর্মকর্তারা বলেন, মিথ্যা তথ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানির কারণে রাজস্ব আদায় কম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বন্ড দুর্নীতি অন্যতম কারণ। বন্ড দুর্নীতিতে জড়িত থাকার কারণে প্রায় ১০০ চালান আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন খাতে অব্যাহতি রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা