kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৫ রবিউস সানি          

বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা চার ছাত্রীর

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১২ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ময়মনসিংহের নান্দাইলে দুটি এবং যশোরের মণিরামপুর ও রাজশাহীর দুর্গাপুরে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ও গতকাল শুক্রবার এই চার স্কুলছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়। মণিরামপুরে বাল্যবিয়ের আয়োজনের দায়ে বর ও কনের বাবাকে এক মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আর নান্দাইলের চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের বারুইগ্রাম গ্রামে ভুয়া জন্ম নিবন্ধন সনদ সংগ্রহ করে সপ্তম শ্রেণিপড়ুয়া মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা ও বিয়ে করতে আসায় কনের বাবা ও বরকে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দুর্গাপুরের স্কুলছাত্রীটি এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের মেয়ে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

ময়মনসিংহ (আঞ্চলিক) : নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুর রহিম সুজনের ভ্রাম্যমাণ আদালত গতকাল বিকেলে বারুইগ্রাম গ্রামে কনের বাবা ও বরকে দুই হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন। বর মো. ইসলাম উদ্দিন গাঙাইল ইউনিয়নের সুরাশ্রম গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে। একই দিন ইউএনও মুশল্লী ইউনিয়নের পূর্ব কামালপুর গ্রামে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিয়ের আয়োজনের খবর পেয়ে সেখানে গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে বিয়েটি বন্ধ করে দেন।

সূত্র জানায়, বারুইগ্রাম গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রীর (১৫) বিয়ের আয়োজনের খবর এ প্রতিনিধির মাধ্যমে পান ইউএনও। পরে সেখানে ইউএনও একদল পুলিশসহ ছুটে যান। ভোজ চলার সময় বর ও কনের পরিবারকে ডেকে নেন ইউএনও। যাচাইকালে বরের বয়স সঠিক পাওয়া যায়। তবে কনের জন্ম নিবন্ধন সনদে দেখা যায়, তার জন্ম ১৯৯৭ সালের ৩০ জানুয়ারি। এরপর জন্ম নিবন্ধন সার্ভারে দেখা যায়, দিন-মাস ঠিক থাকলেও কনের জন্ম সালটি ২০০৪। পরে কনের বাবা ভুয়া জন্ম নিবন্ধনের কথা স্বীকার করেন।

মণিরামপুর (যশোর) : বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মণিরাপুর উপজেলার দীঘিরপাড় গ্রামে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পাওয়া মেয়েটি অষ্টম শ্রেণির স্কুলছাত্রী (১৪)। জানা যায়, উপজেলার গালদা গ্রামের সামসুর সরদারের ছেলে দুবাইপ্রবাসী ইমদাদুল ইসলামের সঙ্গে মেয়েটির বিয়ের আয়োজন করে পরিবার। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কনের বাড়িতে বিয়ের আয়োজন ও খাওয়াদাওয়া চলছিল। খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাইয়েমা হাসান সেখানে গিয়ে বর ও কনের বাবাকে আটক করেন।

দুর্গাপুর : গতকাল দুর্গাপুর থানার ওসি খুরশিদা বানু কনার হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া স্কুলছাত্রী (১৪) নবম শ্রেণিতে পড়ে। সে অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যের মেয়ে। চৌবাড়িয়া গ্রামে এ বাল্যবিয়ের আয়োজন করে ছাত্রীর পরিবার। বর পুঠিয়া উপজেলার শিবপুর জাগিরপাড়া গ্রামের যুবক আব্দুল গাফফার। বরযাত্রী আসার আগেই খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়েটি বন্ধ করে দেয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা