kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ জানুয়ারি ২০২০। ৯ মাঘ ১৪২৬। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১          

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে তিন মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গতকাল বুধবার ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়রাম্যান রহিবুল ইসলাম পৃথক আদেশে এ পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

তিনটি হামলায় এর আগে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছিলেন আদালত। গতকাল তাঁর আদালতে হাজির হয়ে জবাব দেওয়ার তারিখ ধার্য ছিল। কিন্তু তিনি হাজির না হওয়ায় পরোয়ানা জারি করেন আদালত। তাঁর পক্ষে আইনজীবী সময়ের আবেদন করে বলেন, ড. ইউনূস বিদেশে আছেন। তিনি দেশে এলে হাজির হবেন। কিন্তু আদালত সময় না দিয়ে পরোয়ানা জারি করেন।

এই তিন মামলায় গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা ও উপমহাব্যবস্থাপক খন্দকার আবু আবেদীনও আসামি। তাঁরা হাজির হয়ে জামিন চাইলে আদালত তাঁদের জামিন দেন।

এর আগে গত ৩ জুলাই ড. ইউনূসসহ তিনজনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেন গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের চাকরিচ্যুত তিন কর্মচারী আবদুস সালাম, শাহ আলম ও এমরানুল হক।

মামলার বাদীরা গ্রামীণ কমিউনিকেশনসে স্থায়ী পদে এমআইএস অফিসার (কম্পিউটার অপারেটর) হিসেবে চাকরি করতেন। শ্রমিক হিসেবে নিজেদের সংগঠিত হওয়া ও নিজেদের কল্যাণের জন্য ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়ে গ্রামীণ কমিউনিকেশনস শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন গঠন করে রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করেন ওই তিন কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠানের অন্য শ্রমিক-কর্মচারীরা। গত ১৬ এপ্রিল মহাপরিচালক ও রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়নে আবেদন করা হয়। ৯ জুন ওই আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়।

মামলার বাদী আব্দুস সালাম প্রস্তাবিত ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক, শাহ আলম প্রচার সম্পাদক ও এমরানুল হক সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়। এরপর গ্রামীণ কমিউনিকেশনস কর্তৃপক্ষ তাঁদের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও ভীতিও প্রদর্শন করতে থাকে। একপর্যায়ে তাঁদের চাকরিচ্যুত করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা